Debdip Dutta রাজনৈতিক শিক্ষা যাদের আছে অর্থাৎ শিক্ষিত মানুষেরা কখনো কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে যায় না, আবার তার পুজোও করে না (ব্যক্তির পুজো না।) রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত মানুষেরা তাই ব্যক্তিমানুষের নয়, তার সরকারের নীতির বিরোধিতা করে। সুতরাং বুঝতেই পারছিস আমি তো অশিক্ষিত নই। তাই ব্যক্তি মোদির বিরোধিতা আমি করিনা, তার পূজাও করি না। অর্থাৎ আমি তার ভক্ত নই। মোদির সরকারের যে নীতি, আমি তার বিরোধিতা করি। উপরের পোস্টারে তার সরকারের যে নীতির উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে, আমি ওই নীতির অবশ্যই বিরোধী। ওটাকে ভন্ডামি বলে। আর শিক্ষিত মানুষ এই ভন্ডামি কখনো সমর্থন করতে পারে না, তা মোদি করলেও পারবেনা। রাহুল গান্ধী করলেও পারবেনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করলেও পারবেনা। বা বা অন্য কোন নেতা করলেও নয়। যদি কেউ করে, তাহলে সে রাজনৈতিকভাবে অশিক্ষিত মানুষ। আর এই অশিক্ষিত মানুষ গুলোর জন্যই দেশের নেতারা ভন্ডামি করে যাচ্ছে নিশ্চিন্ত মনে। প্রকৃত রাজনৈতিক শিক্ষা যার মধ্যে ঢোকে, সে পরিষ্কার বুঝতে পারে, যে ব্যক্তি সেখানে একটা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মোদি বিজেপি সরকারের এমনই একটি অস্ত্র। তার বিরোধিতা করে কোন লাভ হয় না। মোদি ...
ইতিহাস কী? ইতিহাস হচ্ছে মানুষের তৃতীয় নয়ন। এই তৃতীয় নয়ন মানুষকে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ বিষয়ে সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করে। এই পর্যবেক্ষণই জগত এবং জীবনের প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একজন মানুষ, জগত ও জীবন সম্পর্কে প্রকৃত সত্য যতটা উপলব্ধি করতে পারেন, তিনি ততটাই শিক্ষিত বলে বিবেচিত হন। তাই ইতিহাস জানা এবং বোঝা ছাড়া একজন মানুষ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারেন না। ইতিহাস কেন তৃতীয় নয়ন? একটা উদাহরণ নেওয়া যাক। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কথা ধরুন। আমরা এই ঘটনাকে যখন প্রত্যক্ষ করি, তখন দেখি দুটি ভিন্ন ধর্মের মানুষ পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে সহিংস হয়ে উঠছে। আমরা খুব সহজেই এই ঘটনাকে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দিই এবং ধর্মকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করি। ধর্মীয় বিদ্বেষের ফল হিসেবে সেগুলোকে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ইতিহাসকে কার্যকারণ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, এই দাঙ্গাগুলোর পিছনে ধর্মের চেয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য খুবই শক্তিশালী ভূমিকায় রয়েছে। অর্থাৎ মূলত, ...