সাফল্যের মূল চাবিকাঠি কী? - লিখছেন আলী হসেন। বিদ্যা ও বুদ্ধির সমন্বয়েই গড়ে ওঠে সাফল্যের ইমারত। অর্থাৎ সাফল্যের মুল চাবিকাঠি হল বিদ্যা ও বুদ্ধির সমন্বয় ঘটানোর সক্ষমতা। তাই সাফল্য লাভ করতে হলে, শুধু বিদ্যার্জন করলেই হবে না, বুদ্ধির গোড়ায় শানও দিতে হবে। সেটা কীভাবে সম্ভব? বুদ্ধির গোড়ায় শান দিতে দরকার একটি যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক মন বা চিন্তন ক্ষমতা যা সবসময় স্বাধীন, সক্রিয় ও নিরপেক্ষ থাকে। এই ধরনের বুদ্ধি বলে দেয় তৃতীয় এক শক্তির অস্তিত্বের কথা, যার পোশাকি নাম হল পরিশ্রম । এই পরিশ্রমের ভিত্তি যদি হয় সততা ও বুদ্ধিদীপ্ত, তবে সাফল্য নিশ্চিত করা যায় এবং তা হয় দীর্ঘস্থায়ী। এই ধরণের বুদ্ধি দ্বিতীয় একটি হাতিয়ার সম্পর্কেও মানুষকে সচেতন করে তোলে। আর তা হল সফল মানুষের সান্নিধ্য ও তাঁর পরামর্শ গ্রহণের সদিচ্ছা। এই বুদ্ধিই তৃতীয় অর্থাৎ আরও একটি শক্তিশালী হাতিয়ারের কথা স্মরণ করায়। এই হাতিয়ার হল চাপমুক্ত মানসিক শক্তি । মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা এমন এক মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন যা সমস্ত শারীরিক সক্ষমতাকে বিধ্বস্ত করে দেয়। ফলে পরিশ্রম করার সাহস ও শক্তি স্থবির হয়ে পড়ে। সুতরাং ...
ধর্মের নামে রাজনীতিই প্রমাণ করে আমরা মধ্যযুগীয় ভারতবর্ষে এখনও যে ধর্মের নামে রাজনীতি হয় বা হচ্ছে, তাতেই প্রমাণ হয় আমরা আধুনিক নয়, চিন্তায়-চেতনায় এখনো মধ্যযুগে বাস করি। কারণ, আধুনিক যুগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আছে। কোন জাতি, নিজেকে আধুনিক বলে দাবি করতে চাইলে, এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের মধ্যে থাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো হল ধর্ম-মুক্ত রাজনীতি। পৃথিবীর যেখানে যেখানে রাজনীতি ধর্মমুক্ত হয়েছে, সেখানে সেখানে রাজনৈতিক হিংসা হানাহানি অনেক কমে গেছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যা আধুনিকতার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর দিকে তাকালেই বুঝতে পারা যায় ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি সম্পর্কিত থাকলে কি ভয়ংকর রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। বোঝা যায়, কীভাবে নিরবিচ্ছিন্ন অস্থিরতা ও রাজনৈতিক হিংসা এবং প্রতিহিংসার দাপটে একটা জাতি শতধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। মূলত এ কারণেই, অসংখ্য ছোট ছোট, বলা ভালো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়েছে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য। ফলে সাম্রাজ্যবাদী বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর নয়া সাম্রাজ্যবাদী নাগপাশ ...