সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ধর্ম বিষয়ক লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ধর্ম কেন এবং কীভাবে পালনীয়?

ধর্ম কেন এবং কীভাবে পালনীয়? (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সূর্যসেন পার্ক শ্রী শ্রী হরিচাঁদ সেবা সংঘের ৪৪ তম মতুয়া ধর্ম সম্মেলন ও লোকসংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য) সম্মানীয় সভাপতি, মঞ্চে উপবিষ্ট গুণীজন, সামনে উপবিষ্ট মা, বোন, ভাই এবং সন্তানসমান ছেলেমেয়েরা, সর্বোপরি আমার এই কণ্ঠস্বর মাইক্রোফোনের মাধ্যমে যাদের কান পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে, তাদের সকলকে আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।  আজ আমরা শ্রী শ্রী হরিচাঁদ সেবা সংঘের ধর্ম সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছি। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন হয়েছি? এই কেন-র সঠিক উত্তর যদি আমার আপনার জানা না থাকে, তাহলে এই সম্মেলনে আসার যে উদ্দেশ্য, তা ব্যর্থ হবে। আসুন আমরা বোঝার চেষ্টা করি। আমরা সবাই জানি, এই ধরনের ধর্ম সম্মেলনে কিংবা মন্দির মসজিদে আমরা কেন যাই। যাই আমাদের মত প্রান্তিক ও নিম্নবর্গের (নিম্নবর্ণ কথাটা আমি ব্যবহার করি না) মানুষের দুঃখ দুর্দশা ঘোচানো এবং সুখী হওয়ার বাসনায়। আল্লাহ বা ভগবান এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন— এই আশায়। কিন্তু আমাদের সমস্যা হল, আমরা জানি না, আমার-আপনার ভগবান কিম্বা আল্লাহ ঠিক কী করলে সত্যি সত্যিই খুশি হন। কারণ, আমরা এ বিষয়ে পড়া...

ধর্ম আর রাজনীতির পার্থক্য

ধর্ম আর রাজনীতির পার্থক্য: Alvito D Chuna না। মুসলিম কোন ধর্ম নয়। ধর্ম হল ইসলাম। এখানে এই পোস্টে ভোটের কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কথা বলা হয়েছে। ধর্ম আর রাজনীতি আলাদা। রাজনীতিতে হিন্দু মুসলমান হয় না। রাজনীতিতে বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস —এসব হয়। যদিও কিছু দল আমাদের বোকা ভেবে রাজনীতি আর ধর্ম এক করে দেখানোর চেষ্টা করছে।  প্রত্যেক শিক্ষিত মানুষ এটা জানে। রাজনীতি হচ্ছে পলিটিক্স। সে সম্পর্কিত বিষয়ের নাম হচ্ছে পলিটিক্যাল সাইন্স বা রাষ্ট্রবিজ্ঞান। যারা এটা পড়েছেন, তারা জানেন, রাজনীতি আর ধর্ম এক বইয়ের বিষয় থাকে না। এর জন্য আলাদা গ্রন্থ লাগে। দা প্রিন্স, অর্থশাস্ত্র —এগুলো রাজনীতির বই। বেদ, গীতা, বাইবেল, কোরআন —এগুলো ধর্মগ্রন্থ। ধর্মের বই। ধর্মের বইতে লেখা থাকে কীভাবে ধর্ম পালন করতে হয়। ঈশ্বরের অর্থাৎ আল্লাহ বা ভগবানকে পাওয়ার জন্য কী ধরনের আচার-আচরণ করতে হয়, কোন কোন নিয়ম মেনে চললে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন। সুতরাং ধর্ম ঈশ্বর বিষয়ক বিষয়। অন্যদিকে, রাজনীতি হল রাষ্ট্র পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়। রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালনা করতে হয়, পরিচালনার আধুনিক নিয়ম-কানুন কী, সেসব কথা সেখানে ব...

ধর্ম বোঝার উপায়

ধর্ম বোঝার উপায় ধর্মকে বুঝতে হলে কেবল ধার্মিক হলেই হবে না, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়াও জরুরী। বিশেষভাবে, যুক্তিবিজ্ঞান জানা ও বোঝা জরুরী। না হলে, ধর্মের নামে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার —এক কথায় অধর্ম আপনাকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে।

ধর্ম চেনার উপায়

ধর্ম চেনার উপায় হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিকদের দেখে যেমন হিন্দু ধর্মকে বোঝা যায় না, তেমনি ইসলামিক রাষ্ট্রবাদীদের কার্যকলাপ দেখে ইসলাম ধর্মকে চেনা যাবে না।

ধর্ম সম্পর্কে আলী হোসেনের মন্তব্য

ধর্ম সম্পর্কে আলী হোসেনের মন্তব্য ধর্মের ভিত্তি হল বিশ্বাস। তাই যে যেভাবে বিশ্বাস করে, ধর্ম তার কাছে সেভাবেই আত্মপ্রকাশ করে। আর সেটাই হায়ে ওঠে তার ধর্ম।  মূলত এ কারণেই বিশ্বজুড়ে নানান ধর্মমতের উদ্ভব হয়েছে। ধর্ম যদি কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠত, তবে বিশ্বজুড়ে একটি ধর্মই বিকাশ লাভ করত। এবং তা হত মানব ধর্ম। প্রকৃতি জগতে আমরা যা কিছু ঘটতে দেখি তা ঘটে নির্দিষ্ট নিয়মের বন্ধনে আবদ্ধ থেকে। এই নিয়ম আসলে কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া লক্ষ লক্ষ প্রাকৃতিক নিয়ম। যে ঘটনা যে নিয়মের শৃঙ্খলে বাঁধা আছে তার উপস্থিতিই সেই ঘটনাকে সম্ভব করে তোলে। তার কোন ব্যত্যয় ঘটতে দেখি না। আমরা কখনও কখনও কিছু বিষয়কে ব্যতিক্রম হিসাবে চিহ্নিত করে থাকি। কারণ, প্রচলিত নিয়মের বন্ধনে বেঁধে তাকে ব্যাখ্যা করা যায় না। আসলে, গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় এই ব্যতিক্রমটিও আসলে একধরণের নিয়মের আগলে বাঁধা আছে। অর্থাৎ ব্যতিক্রমটাও একটি অপ্রচলিত নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সুতরাং নিয়মের বাইরে গিয়ে জগতে কিছু ঘটে না। আর লক্ষ্য করলে দেখা যায়, যা নিয়মের বা কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর ভিত...

ধর্ম দর্শন পরিবর্তনশীল?

 ধর্ম দর্শন কী পরিবর্তনশীল? Is the philosophy of religion, changing? ধর্ম দর্শনের ভিত্তি হল ঈশ্বর-কেন্দ্রিক বিশ্বাস। যারা ধর্ম বিশ্বাসী, তারা বিশ্বাস করেন ঈশ্বরের দ্বারাই এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় এবং হচ্ছে। তার নির্দেশ ছাড়া গাছের পাতা পর্যন্ত নড়ে না। এখন প্রকৃতির দিকে যদি তাকাই, তাহলে দেখতে পাই, প্রকৃতিতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। এবং অবশ্যই এই পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট নিয়মের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এই নিয়ম আবার কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে, যার স্রষ্টা বা নিয়ন্ত্রক, ধর্ম দর্শন অনুযায়ী, সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বা আল্লাহ। আমরা প্রতিদিন দেখছি এই পৃথিবী সহ বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড একটু একটু করে পরিবর্তিত হচ্ছে। পাহাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সমতল ভূমিতে পরিণত হচ্ছে। নদী গভীরতা হারিয়ে স্থল ভূমিতে পরিণত হচ্ছে। মানুষের পোশাক পরিচ্ছদ থেকে খাদ্যাভ্যাস পাল্টে যাচ্ছে। জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো পাল্টে যাচ্ছে। নতুন নতুন উপকরণ যোগ হচ্ছে। জীবন ও মৃত্যু আংশিক হলেও নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ধর্ম দর্শন অনুযায়ী সব কিছুই যখন তাঁর নির্দেশে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয...

ধর্ম সম্পর্কে আলী হোসেনের মন্তব্য

  ধর্ম সম্পর্কে আলী হোসেনের মন্তব্য মানুষ যেদিন ভয়, আর লোভকে জয় করতে পারবে, সেদিন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বিলুপ্তি ঘটবে। থাকবে শুধু মানবধর্ম। — আলী হোসেন

বেদ কি ধর্মগ্রন্থ?

বেদ কি ধর্মগ্রন্থ? Ashoke Mukhopadhyay ধন্যবাদ সাথি। মনোযোগ দিয়ে পড়া এবং মতামত দেয়ার জন্য। সঙ্গে মূল্যবান পরামর্শ।❤️ পরামর্শের গুরুত্ব বুঝি। কিন্তু মাঝে মাঝে মুখ না খুলে পারি না। কারণ, সবাই যদি বিতর্ক এড়িয়ে চলি, তবে তো মিথ্যা সত্য বলে প্রচারিত হতে থাকবে। আমি আপনি থেমে থাকলেও মিথ্যার পসারিরা তো থেমে থাকবে না। একসময় সত্য মিথ্যা আর মিথ্যা সত্য বলে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে যাবে। আর এক জার্মানির জন্ম হবে। তাই ..... আমার আপনার মত অনেক আলোকপ্রাপ্ত যুক্তিবাদী মানুষের কাছে ওটা প্রাচীনতম সাহিত্যই। কিন্তু লক্ষ কোটি বিশ্বাসী মানুষের কাছে এটাই ধর্ম গ্রন্থ। তাই ধর্ম গ্রন্থ হিসাবেই উল্লেখ করেছি। প্রাসঙ্গিকতাই এই বিবেচনার কারণ। ধর্ম ব্যবসায়ীদের মোকাবিলা ধর্ম দিয়েই করলে ফলপ্রসূ হয় বলে আমার উপলব্ধি। না হলে ধার্মিক মানুষের কাছে তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। -----------xx---------- Ali Hossain খুব ভালো লিখেছেন। তবে মার্ক টোয়েন-এর পরামর্শ মনে রাখবেন। সবার সঙ্গে তর্ক করতে যাবেন না। আর একটা কথা। বেদ কোনো ধর্ম গ্রন্থ নয়। বেদ সাড়ে তিন হাজার বছর আগেকার কিছু পশ্চিমি জনজাতি যারা উত্তরে পশ্চিম ভারতে এস...

মানুষে মানুষে বিভাজনের কারণ কী?

প্রকৃত (আসল) ধর্ম কি? What is the real religion? মানুষের মধ্যে বিভাজন কিংবা ভেদাভেদ - যাই বলুন না কেন, তা করার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হল প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম। কারণ, মানুষের জন্য যে ধর্ম, সে ধর্ম মানুষকে ভাগাভাগি করেনা।  প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম, যার ভিত্তি হল অলৌকিক শক্তিতে বিশ্বাস, ভীরু মানুষেরা তার দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হন। কারণ, প্রচলিত ধারণা হল, এই বিশ্বাসের সঙ্গে একটু ভক্তি মেশালেই ঈশ্বরের আশীর্বাদ পাওয়া যায়।  মৃত্যু ভয় আর সাফল্যের আকাঙ্ক্ষা প্রত্যেক মানুষকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। একটা বহল প্রচলিত ধারণা হল, সাফল্য লাভ কিংবা মৃত্যু ভয় এড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় অলৌকিক শক্তিতে বিশ্বাস এবং তার ভজনা করা। সহজেই পাওয়ার আশ্বাস থাকে বলে, এমন বিষয় ও বিশ্বাসের প্রতি মানুষ বেশি আগ্রহ দেখায়। এবং সে কারণেই এই পথকেই মানুষ বেশি বেশি করে আঁকড়ে ধরতে চায়। এই মৃত্যুকে জয় করা যাবে না জেনেও, তাকে ঠেকিয়ে রাখার আকাঙ্খা থেকেই অলৌকিক শক্তির প্রতি বিশ্বাস তৈরি হয়। কিন্তু এটা প্রকৃত ধর্ম নয়। ধর্মের স্বঘোষিত প্রচারক যারা, তারা নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে এই ধারার ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা...

‘নামাজ’ আর ‘নমস্কার’এর মধ্যে সম্পর্ক

 ‘নামাজ’ আর ‘নমস্কার’এর মধ্যে সম্পর্ক ‘নামাজ’ আর ‘নমস্কার’ - একই ধাতুমূল থেকে এসেছে। আর তাহল ‘নমস্’। ভাবুন, এটা কীভাবে সম্ভব? ধর্ম নিয়ে বিবাদ করার আগে এর ব্যাখ্যা খুঁজুন। ফেসবুক পোস্ট, ১৬/০৫/২০২৪ ----------xx----------- আসলে দুটো শব্দই এসেছে একই ভাষাগোষ্ঠী থেকে। আর তা হল, ইন্দো-ইরানিয় ভাষা গোষ্ঠী। অর্থাৎ সংস্কৃত (নমস্কার) ও ফার্সি (নামাজ) - দুটো ভাষাই এসেছে ইন্দো-ইরানিয় ভাষা গোষ্ঠী থেকে। তাই তাদের মূল ধাতু এক।  আমার ফেসবুক পোস্টের অভ্যন্তরে ছিল এই প্রশ্ন : এই বিষয় থেকে আমদের উপলব্ধি কী হওয়া উচিত? আমাদের অর্থাৎ হিন্দু মুসলমানসহ সমগ্র মানবগোষ্ঠীর মধ্যেকার সম্পর্ক কি বিরোধের, না বন্ধুত্বের কিংবা এক কথায় আত্মীয়তার? ----------xx------- বেশ কয়েকজন ফেসবুক বন্ধু আমার বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। বোঝাতে চেয়েছেন আমি ভুল। আপনাদের বিনয়ের সঙ্গে জানাই, আপনাদের আলোচনায় ‘কেন আমি ভুল’ তার কোন সদুত্তর নেই। (যা আছে, তা প্রায় সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কিছু কথা, যা আপনারা জানেন বলে দাবি করেন। তা কতটা যুক্তিযুক্ত বা তথ্যসমৃদ্ধ সে বিষয়ে আমি যাচ্ছি না। কারণ, সে বিষয়গুলো আলাদাভাবে আলোচনার দাবি ...

ধর্ম কী?

ধর্ম কী? না খেয়ে থাকাটা ধর্ম নয়, না খেতে পাওয়া মানুষের জন্য খেয়ে পরে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার মতো সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলায় অবদান রাখাটাই আপনার ধর্ম। আপনি যদি মানব সভ্যতার ইতিহাসটা ধারাবাহিক ভাবে পড়েন এবং মূল ধর্মগ্রন্থটি যুক্তিবাদী মন নিয়ে বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করেন, তবে আপনারও এই উপলব্ধিই হবে। আমার উপলব্ধি, আপনি স্বীকার করুন আর না করুন, এটাই সত্য। না খেয়ে থাকাটা যদি আপনার শরীর স্বাস্থের পক্ষে প্রয়োজনীয় হয়ে থাকে, তবে তা আপনার কাছে নিশ্চয় ধর্ম। কিন্তু যার তিন বেলা পেট ভরে খাওয়া হয় না, সারা বছর অপুষ্টিতে ভোগেন, সুচিকিৎসার সুযোগ নেই, তার কাছে এটা ধর্ম নয়। শিক্ষা অর্জনের মধ্য দিয়ে জগৎ ও জীবনের চরম সত্য উপলব্ধি করা এবং তার ওপর ভিত্তি করে বেঁচে থাকার উপায় অন্বেষণ হল তার কাছে তার প্রধান ধর্ম। আর আপনার ধর্ম তাকে সেই অর্জনে সহায়তা করা। সৃষ্টিকর্তা আছেন কি নেই তা আমরা জানিনা। যা জানি বলে মানি তা আসলে একটা বিশ্বাস। এই বিশ্বাস সত্য হতে পারে, অসত্যও হতে পারে। সত্য অসত্য যাই হোক না কেন, যুক্তি বুদ্ধির আলোকে আমরা দুটো বক্তব্যকেই সত্য কিম্বা অসত্য বলে সিদ্ধান্ত করতে পারি। কারণ, এই ...

ধর্মের নামে রাজনীতিতে ভুলে থাকবেন?

ধর্মের নামে রাজনীতিতে ভুলে থাকবেন? Forget everything in the name of religious politics? পৃথিবীর ৫ম বড় অর্থনীতির দেশে কেন বিশ্বের সব চাইতে বেশি দরিদ্র মানুষের বাস? ভাববেন না? না কি ‘ধর্মের নামে রাজনীতি’তে ভুলে থাকবেন? 👉 Ali Hossain, Polygamy ta bondho korun ! 💀 👉 Srijann Mallick , কোন্ যুগে আছেন? একটু পড়াশোনা করুন। মাথা থেকে অন্ধকার সরে যাবে। 👉 Ali Hossain,  আপনাকে আমার পড়াশোনা নিয়ে ভাবতে হবে না 😂 comment টা কেনো করলাম , আপনি এখনও সেটাই বুঝতে পারলেন না 😂 আপনিও মাথা থেকে , লাল সরান, সব বুঝবেন। 👉 Srijann Mallick, আমি বুঝিনি? তাই! তা একটু বুঝিয়ে বলুন না। বুঝতে চাই। সত্যি কথা বলতে কি, আপনার মন্তব্যটা আমার কাছে অপ্রাসঙ্গিক লেগেছে। পড়াশোনায় সীমাবদ্ধতা থাকলে এমন অপ্রাসঙ্গিক কথা প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয়, যা আপনার হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাই পড়াশোনার কথা বলেছি। আপনি অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য না করলে, আমাকে পড়াশোনার কথা বলতে হত না। যদিও পড়া কিংবা না পড়া একান্তই আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু আমার বলায় আপনার এত আপত্তি কেন? আপনি নিজে বলবেন, অথচ অন্যের কথা শুনবেন না, সে আবার কেমন কথা! লাল...

ধর্মীয় হিংসার মূল কারণ কী?

ধর্মীয় হিংসার মূল কারণ কী? সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মূল কারণ কী? What is the root cause of religious violence? What-is-the-root-cause-of-religious-violence মানুষ যদি ধর্মগুরু ও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে ধর্ম বিষয়ক পরামর্শ না নিয়ে মূল ধর্মগ্রন্থগুলো মাতৃভাষায় পড়ে ধর্ম পালন করত, তবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাসহ ধর্মীয় বিদ্বেষজনিত একটা মৃত্যুও হতো না পৃথিবীতে। অথচ পৃথিবীর অধিকাংশ হিংসাজনিত অস্বাভাবিক মৃত্যু এভাবেই হয়। বড়ই বেদনার বিষয়, মানুষের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও বিদ্বেষ বন্ধ করার জন্যই জন্ম হয়েছিল ধর্মের। অথচ সেই ধর্মই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় ঘাতক। শুধুমাত্র ধর্ম ব্যবসয়ীদের ও রাজনীতির কারবারীদের জন্য প্ররোচনায়।

মানুষের প্রধান এবং প্রকৃত পরিচয় কি তার ধর্ম?

মানুষের প্রধান এবং প্রকৃত পরিচয় কি তার ধর্ম? হিন্দু হন বা মুসলিম, আদতে আপনি একজন মানুষ। যারা ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা ভন্ড ও ধান্দাবাজ। ভুলেছেন কী মরেছেন। ধর্মকে বাদ রেখে সাম্রাজ্যবাদকে হারানোর স্বপ্ন খালি বড়শি ফেলে মাছ ধরার বাসনা মাত্র। মানুষের মধ্যে ধর্মের প্রভাব, অভাবের চেয়েও বেশি। এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যারা না খেয়ে থাকা তো সামান্য বিষয়, জীবন পর্যন্ত বাজি রাখতে পারেন। এটাকে হাতিয়ার করেই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের প্রধানরা রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেন। এবং সমাজে ধনবৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক চেহারা দিয়েছেন এবং তার বৈধতা নিশ্চিত করেছেন। মনে রাখা দরকার, ধর্মে ধন বৈষম্যের স্বীকৃতি, মানুষকে সাম্রাজ্যবাদী শাসন কায়েমকে উৎসাহিত করেছে।

স্রষ্টাকে পাওয়ার উপায় কী?

স্রষ্টাকে (আল্লাহ, ভগবান,...) পাওয়ার উপায় কী? What is the way to get the Lord? স্রষ্টার সৃষ্টি যদি যুক্তির দ্বারা পরিচালিত হয় এবং নিয়ন্ত্রিত হয় তবে স্রষ্টা সম্পর্কিত আলোচনা বা তাকে উপলব্ধি করার প্রক্রিয়াটা শুধুমাত্র বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে থাকে কী করে? সেখানেও তো যুক্তি প্রধান হাতিয়ার হওয়া উচিত।

ধর্ম বিষয়ে সাধারণ মানুষের ভাবনা ও তার দুর্বলতা

ধর্ম বিষয়ে সাধারণ মানুষের ভাবনা কেমন? Common people's ideas about religion? ধর্ম হলো একটা বিশাল বড় পুকুরের মতো। সেখানে সুস্বাদু মাছ যেমন আছে, তেমনই বিষাক্ত কীটপতঙ্গও আছে। আমরা যারা মানুষ, তারা কেউ জলে নেমে দেখিনা, সত্যিকারে সেখানে কী কতটা আছে। আমরা (ধর্ম নামক) পুকুরকে দেখলে বা নাম শুনলেই দু’ভাগে ভাগ হয়ে যাই। দাঁড়িয়ে যাই বিপরীত দুই পাড়ে। একপক্ষ সাপকে দেখেই সিদ্ধান্ত করে ফেলি, পুকুর মানেই সাপে ভরা একটা ভয়ংকর জলাভূমি। অন্য পক্ষ সুস্বাদু মাছ দেখে সিদ্ধান্ত করে ফেলে ওটা একটা স্বচ্ছ ও নিরাপদ জলাশয়, যেখানে শুধু সুস্বাদু মাছই থাকে। সুতরাং নিশ্চিতে, চোখ বুঁজে তাতে নামা যায়, যেমন খুশি সাঁতার কাটা যায় এবং ইহলৌকিক ও পারলৌকিক জীবনের সব কিছুরই প্রাপ্তি ঘটে। মূলত, এই ভাবনা থেকেই আমরা পড়ে যাই অন্ধবিশ্বাস নামক এক ভয়ংকর রোগের কবলে।  আমরা, একপক্ষ তখন ভুলে যাই, ধর্ম জগৎ ও জীবন বিষয়ক একটা দর্শন। তাই তাকে বুঝতে গেলে নৈর্বক্তিক দর্শন চিন্তার অধিকারী হতে হয় এবং অন্য পক্ষ ভুলে যায়, এই ধরনের দর্শন চিন্তার অধিকারী হতে হলে তাকে একটি যুক্তিবাদী চিন্তাধারার সাহায্য নিতে হয় এবং তার অধিকারীও হতে হ...

আপনি কি আল্লাহকে সত্যিই ভালোবসেন?

আপনি কি আল্লাহকে সত্যিই ভালোবসেন? আপনি বলছেন, ধর্মের জন্য হাসতে হাসতে প্রাণ দিতে পারি। প্রশ্ন হল, আপনি প্রাণ দিয়ে দিলে ধর্মটা পালন করবে কে? এভাবে সব মুসলমান যদি সত্যিকারের আল্লাহ প্রেমিক হয়ে যান, তবে আল্লাহই তো তাঁর তৈরি পৃথিবীতে অস্তিত্বের সংকটে পড়ে যাবেন। আপনি বলছেন আল্লাহর সেবায়, প্রাণ দিতে পারি। বেশ। প্রশ্ন হল, আপনি যদি প্রাণ দিয়ে দেন, তবে তার খেদমত করবে কে? তাছাড়া, আল্লাহর যদি আপনার সেবার এতটাই দরকার হয় ভাবেন, তবে তিনি সর্ব শক্তিমান — এটা মানছেন কই? সর্ব শক্তিমান কখনই নিজের সেবা চান না, চাইলে তার সৃষ্টির সেবাই চাইবেন। আদৌ তার যদি তা দরকার হয়! সুতরাং অতিভক্তি ধার্মিকতা নয়, মানুষের কল্যাণ ও ভালোবাসাই আসল ধর্ম।

মানুষে মানুষে বিভেদের প্রকৃত কারণ

মানুষে মানুষে বিভাজনের প্রকৃত কারণ The real cause of division among people প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মকে মানা বা তাকে শ্রদ্ধা করার কোন কারণ বা যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ, এই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মই মানুষকে বিভক্ত করে দিয়েছে বিভিন্ন সম্প্রদায়, জাতি ও বর্ণে। আর তা থেকেই শুরু হয়েছে মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব ও খুনোখুনি। যদিও ধর্মের প্রয়োজন হয়েছিল  স্বার্থের অন্যায্য বণ্টন ব্যবস্থাকে আটকাতে। আর এ থেকেই প্রমাণ হয়, এই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছে মানুষ। কারণ প্রকৃত সৃষ্টিকর্তা মানুষকে এভাবে ভাগ করেনি, কারণ করতে পারেন না। সৃষ্টিকর্তার তুলনায় অতি নগন্য ও ক্ষুদ্র একটা জীব হচ্ছে মানুষ। সে যদি তার সন্তানকে আলাদা চেহারা, বর্ন আকৃতি হওয়া সত্ত্বেও কাউকে আপন পর বা কেউ সুখে থাক আর কেউ দুঃখে থাক — এভাবে ভাবতে পারে না, তবে সৃষ্টিকর্তার মত সর্বশক্তির আধার কোন মহান ও দয়ালু সত্ত্বা এতটা নির্দয় কীভাবে হয়?

ধর্ম কখন অশান্তির কারণ হয়ে উঠেছে?

অশান্তির মূল কারণ কী ধর্ম? When did religion become a cause of unrest? যার জন্ম পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য, সেই ধর্মই হয়ে উঠেছে পৃথিবী জুড়ে অশান্তির অন্যতম প্রধান কারণ। শুধু আজ নয়, যুগ যুগ ধরেই চলছে ধর্মের নামে এই হত্যাযজ্ঞ। এটাই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, প্রত্যেকটি ধর্মের মূল উদ্দেশ্যই হলো শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।  কিন্তু শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে ধর্মের উৎপত্তি, সেই ধর্ম যখনই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, দলে দলে মানুষ তাকে মান্যতা দিয়েছে, জায়গা করে দিয়েছে নিজ হৃদয়ের গভীরে; তখনই ধর্মকে রাজনীতিকরা কব্জা করার চেষ্টা করেছে এবং সফলও হয়েছে। আর তখন থেকেই ধর্ম অশান্তির কারণ হয়ে উঠেছে। এভাবে বৌদ্ধ ধর্ম হীনযান ও মহাযান হয়েছে, ইসলাম ধর্ম শিয়া ও সুন্নি সহ অসংখ্য মযহাব - এ বিভক্ত হয়ে গেছে, সনাতন ধর্মে এক ব্রহ্মা ৩৩ কোটি দেবতায় বিভক্ত হয়ে গেছেন। আমাদের দেশের সাম্প্রতিকতম উদাহরণ হল মতুয়া ধর্ম। যে ধর্ম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ এই ধর্মমতের উদ্ভব, তারাই রাজনৈতিকভাবে তাকে ব্যবহার করা শুরু করেছেন। এবং বর্তমানে মতুয়াদের বিভিন্...

হিজাব বা বোরখার প্রচলনের প্রকৃত কারণ

 হিজাব বা বোরখা প্রচলনের প্রকৃত কারণ Nasir Uddin আপনি তো ভাই, আমার লেখাটা পুরো পড়েছেন বলে মনে হচ্ছে না। অনেকগুলো কথা বলেছি। যুক্তি ও তথ্য দিয়ে। সবগুলো এড়িয়ে গেলেন। সেগুলো আপনার মনে ধরলো না। আপনার চোখ আটকে গেলো হিজাব বোরখায়? হিজাব বা বোরখা এক ধরনের পোশাক। যার ইচ্ছা হবে সে পরবে। যার হবে না, সে পরবে না। এ ব্যাপারে তো আমার বলার কিছু নেই। বলিও না। এর সঙ্গে লেখাপড়া হওয়া, না হওয়ার তেমন কোন সম্পর্কও নেই। আমার বলার বিষয় হল, ছোট বেলা থেকে একটা মেয়েকে সেটা যদি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছাপিয়ে দেওয়া হয়, অথবা মগজ ধোলাই করে তাকে পরোক্ষভাবে চাপ দেওয়া হয়। এবং সেটা যদি সমাজে ধর্মের নামে বাধ্যতামূলক হয়ে যায় তবে সমাজে তার নেগেটিভ প্রভাব পড়বে। মেয়েটার জীবনে তো পড়বেই। কারণ, এই মগজ ধোলাই করতে গিয়ে এমন সব আজগুবি ও ভয় ভীতির কাহিনী তার সামনে তুলে ধরা হয় যে, তার আর স্বাধীনভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা তৈরি হয় না। এটা একটা বাচ্চার শিক্ষা ও স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রচন্ড অন্তরায় হয়ে ওঠে। প্রতিটা কাজ করতে গেলে তার শরিয়তের ব্যাখ্যা দরকার হয়ে পড়ে, যা সহজে পাওয়া যায় না। তার ওপর এক একজন একেক...

আলী হোসেনের বহুল-পঠিত উক্তিগুলো পড়ুন

ধর্মের নামে রাজনীতিই প্রমাণ করে আমরা মধ্যযুগীয়

ধর্মের নামে রাজনীতিই প্রমাণ করে আমরা মধ্যযুগীয় ভারতবর্ষে এখনও যে ধর্মের নামে রাজনীতি হয় বা হচ্ছে, তাতেই প্রমাণ হয় আমরা আধুনিক নয়, চিন্তায়-চেতনায় এখনো মধ্যযুগে বাস করি। কারণ, আধুনিক যুগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আছে। কোন জাতি, নিজেকে আধুনিক বলে দাবি করতে চাইলে, এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের মধ্যে থাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো হল ধর্ম-মুক্ত রাজনীতি। পৃথিবীর যেখানে যেখানে রাজনীতি ধর্মমুক্ত হয়েছে, সেখানে সেখানে রাজনৈতিক হিংসা হানাহানি অনেক কমে গেছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যা আধুনিকতার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর দিকে তাকালেই বুঝতে পারা যায় ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি সম্পর্কিত থাকলে কি ভয়ংকর রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। বোঝা যায়, কীভাবে নিরবিচ্ছিন্ন অস্থিরতা ও রাজনৈতিক হিংসা এবং প্রতিহিংসার দাপটে একটা জাতি শতধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। মূলত এ কারণেই, অসংখ্য ছোট ছোট, বলা ভালো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়েছে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য। ফলে সাম্রাজ্যবাদী বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর নয়া সাম্রাজ্যবাদী নাগপাশ ...

ইতিহাস কী?

ইতিহাস কী? ইতিহাস হচ্ছে মানুষের তৃতীয় নয়ন। এই তৃতীয় নয়ন মানুষকে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ বিষয়ে সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করে। এই পর্যবেক্ষণই জগত এবং জীবনের প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একজন মানুষ, জগত ও জীবন সম্পর্কে  প্রকৃত সত্য যতটা উপলব্ধি করতে পারেন, তিনি ততটাই শিক্ষিত বলে বিবেচিত হন। তাই ইতিহাস জানা এবং বোঝা ছাড়া একজন মানুষ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারেন না। ইতিহাস কেন তৃতীয় নয়ন? একটা উদাহরণ নেওয়া যাক। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কথা ধরুন। আমরা এই ঘটনাকে যখন প্রত্যক্ষ করি, তখন দেখি দুটি ভিন্ন ধর্মের মানুষ পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে সহিংস হয়ে উঠছে। আমরা খুব সহজেই এই ঘটনাকে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দিই এবং ধর্মকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করি। ধর্মীয় বিদ্বেষের ফল হিসেবে সেগুলোকে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ইতিহাসকে কার্যকারণ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, এই দাঙ্গাগুলোর পিছনে ধর্মের চেয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য খুবই শক্তিশালী ভূমিকায় রয়েছে। অর্থাৎ মূলত, ...

ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা যায় না।

ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা যায় না প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা যায় না। কারণ দুটোরই ভিত্তি হচ্ছে যুক্তিবিমুখ বিশ্বাস। তাই, কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা হয়তো যায়। কিন্তু ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা কখনই যায় না। একথা ভুলতে বসেছেন যাঁরা, তাঁরা নিজেদের প্রগতিশীল দাবি করতেই পারেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এতে প্রগতিশীলতা গতিলাভ করে না বরং গতি হারায়। --------x------- Di Ansar Ali হ্যা, পরিস্থিতি অনুযায়ী সমঝোতা করতে হয়। কিন্তু মাথায় রাখতে হয়, তাতে আমার সত্যিই কোনো লাভ হচ্ছে কিনা। এবং তার অদূর ও সুদূরপ্রসারী ফলাফল প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করাটা মোটেই যুক্তিযুক্ত নয় বলেই মনে হয়। কারণ, তাতে পরের যাত্রা হয়তো ভঙ্গ হয়, কিন্তু নিজের শরীরে ভয়ঙ্কর ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়ার দখলদারি বেড়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, এই হিসাবটা ঠিকঠাক না করতে পারলে পরিস্থিতি অনুকূলে আসার পরিবর্তে প্রতিকূলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। এক্ষেত্রে 'দশচক্রে ভগবান ভুত হওয়ার' বিষয়টিও মাথায় রাখার প্রয়োজন খুব বেশি বলেই আমি মনে করি। যারা প্রগতিশীল নয়, বলে এতদি...

বিজেপি ও আরএসএস কি আলাদা?

বিজেপি ও আরএসএস কি আলাদা? বিজেপি ও আরএসএস-এর রসায়ন সম্পর্কে সম্যক অবহিত আছেন, এমন মানুষদের সবাই জানেন বিজেপির সঙ্গে আরএসএস-এর গভীর সম্পর্কের কথা। এবং তাঁরা এটাও জানেন যে, আরএসএস দ্বারা বিজেপি নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়। তাই এই দুই সংগঠনকে আপাতদৃষ্টিতে আলাদা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এরা আলাদা নয়। বরং এরা একে অপরের পরিপূরক। বিস্তারিত দেখুন এখানে ক্লিক করে

বিজ্ঞান শিক্ষার পরিবর্তে ধর্মশিক্ষার প্রচলন ও তার পরিণতি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্ম শিক্ষার প্রভাব দেশের বড় বড় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেভাবে বেদ ও পুরাণসহ ধর্মশাস্ত্র পড়ানোর ধুম লেগেছে তাতে ভারতবর্ষ খুব তাড়াতাড়ি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মত অশিক্ষার কানাগলিতে ঢুকে যাবে। এভাবে চলতে থাকলে,বলা ভালো যেতে বাধ্য হবে। শিবপুর আই আই ই এস টি তে যেভাবে বেদ ও পুরাণ ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে তাতে এই আশঙ্কা প্রকট হয়ে উঠছে। সেই সঙ্গে গোলওয়ালকরের ছবি ও বই রেখে যেভাবে বিচ্ছিন্নতা ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন মতাদর্শকে হাইলাইট করা হচ্ছে তাতে ভারতের ভবিষ্যত দুর্দশার রূপটি স্পস্ট হয়ে উঠছে। বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন ফেসবুকে দেখুন এখানে ক্লিক করে