ফ্যাসিবাদের লক্ষণ ফ্যাসিবাদ কী? ফ্যাসিবাদ হচ্ছে একটি চরম ডানপন্থী, স্বৈরাচারী এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শাসনব্যবস্থা। এটি ২০শ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপে বিশেষ করে ইতালিতে বেনিতো মুসোলিনির নেতৃত্বে বিকশিত হয়। ‘ফ্যাসিস’ শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ ‘ফ্যাসেস’ থেকে, যা রোমের শাসকদের লিকটররা বহন করত—এটি ছিল কুঠারের চারপাশে বাঁধা লাঠির রাশি, যা ঐক্য ও কর্তৃত্বের প্রতীক। ফ্যাসিবাদের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ : 1. চরম জাতীয়তাবাদ: নিজ দেশ ও জাতিকে সবকিছুর উর্ধ্বে স্থান দেওয়া এবং ‘অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক শত্রু’র বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান। 2. স্বৈরাচারী নেতৃত্ব: একজন সর্বেসর্বা নেতা (যেমন: হিটলার বা মুসোলিনি) যিনি রাষ্ট্রের সবকিছুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং তাঁর প্রতি জনগণের অন্ধ ভক্তি প্রত্যাশিত হয়। 3. এক-দলীয় শাসন: দেশে কেবল একটি দল চলতে পারে, অন্য সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। 4. বিরোধী দল দমন: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা এবং ভিন্নমত পোষণের কোনো সুযোগ নেই। পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর মাধ্যমে বিরোধীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়। 5. সামরিকবাদ: সেনাবাহিনী ও যুদ্ধকে মহিমান্বিত ...
ধর্ম ও ধর্মান্ধতার পার্থক্য কী? ধর্ম ও ধর্মান্ধতা এক জিনিস নয়। ধর্ম মানুষকে ভালবাসতে শেখায়। ধর্মান্ধতা অনেক সময়ই মানুষকে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। ধর্ম সহনশীল হতে শেখায়। ধর্মান্ধতা মানুষকে উগ্র ও সাম্প্রদায়িক করে তোলে। ধর্ম মানুষকে নীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। ধর্মান্ধতা নীতিহীন করে না তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাকে যুক্তি বুদ্ধির বাইরে চালিত করে। মানবিক করে তোলে। যাকে সে ভালোবাসতে পারবে না, একজন ধার্মিক মানুষ তাকে ঘৃণাও করতে পারবেন না। বরং বিপদের দিনে তার পাশে দাঁড়াতে ইতস্তত করবে না। ধর্মান্ধ মানুষ উল্টো আচরণ করে।