বামপন্থীদের ব্যর্থতার কারণ ও তাদের করণীয় কী? ১) আমাদের উপর জনগণ আস্থা রাখতে পারেনি কেন? ক) বামপন্থী নীতি কী, আদর্শ কী, কীভাবে এই নীতি সাধারণ ফেটে খাওয়া মানুষ এবং মধ্যবিত্তের সত্যিকার উপকার করতে পারে তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়নি। খ) সাধারণ মানুষের কাছে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে ডানপন্থী রাজনীতির যে পার্থক্য রয়েছে সেটা পরিষ্কার নয়। গ) গদি মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এই মিথ্যা প্রপাগান্ডার কাউন্টার করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রচন্ড ঘাটতি রয়েছে। ঘ) তৃণমূল স্তরে ইয়াং জেনারেশনের (যারা কম লেখাপড়া জানেন কিংবা প্রায় জানেন না) কাছে আমাদের ভাবনা তেমন ভাবে পৌঁছাতে পারিনি। আমাদের মিছিলে তাদেরকে সেভাবে হাঁটাতে পারিনি। ঙ) হিন্দু-মুসলিম মেরুকরণ তীব্র আকার ধারণ করেছে এবার। এই মেরুকরণকে আটকানোর গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের মধ্যে অস্পষ্টতা আছে। এটা আটকাতে না পারলে আমাদের আন্দোলনের প্রভাব এবং তার ফলাফল যে বিজেপির ঝুলিতে যাবে এবং এর ফলাফল বামপন্থীদের জন্য যে ভয়ংকর হবে—এ সম্পর্কে তৃণমূল স্তরের নেতা কর্মীদের চেতনায় ঘাটতি আছে।ফলে এই মেরুকরণের বিরুদ্ধে কোন কাউন্টার প্রচার যুক্তি ও তথ্য...
সময়ের গুরুত্ব আলী হোসেন সময়কে সময়মতো এবং ঠিকঠাক কাজে না লাগালে, অসময়ের জন্ম হয়। এই অসময় পরবর্তীকালে দুঃসময়ের জন্ম দেয়। তখন তাকে পুনরায় ‘সময়ে’ পরিণত করাটা শুধু সময়-সাপেক্ষ নয়, অত্যন্ত কঠিন হয়ে ওঠে। —আলী হোসেন। অব্যবহৃত সময় অসময় ও দুঃসময়ের জন্ম দেয় প্রচুর মানুষকে, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীরা, ব্যাপকভাবে সময়ের অপচয় করে। একটা বিষয় নিয়ে ভাবতে গিয়ে অন্য ভাবনায় ঢুকে পড়ে। কখনও কখনও এও দেখা যায়, প্রয়োজন বা প্রায়োরিটিকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র সাময়িক ভালোলাগাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে গুরুত্বহীন বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ফেলছে। ফলে তাদের মধ্যে থাকা উজ্জ্বল মেধাকে আর সদ্ব্যবহার করতে পারছে না। এর অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হিসেবে সে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থতাকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, সময় মানব জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এটি এমন এক সম্পদ, যা প্রতিটি মানুষ প্রায় সমানভাবে পায়, কিন্তু তা ব্যবহারের ভুল পদ্ধতি ও লক্ষ্যের কারণে জীবন গড়ে ওঠে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে। কারণ, সময়কে সময়মতো এবং ঠিকঠাক কাজে না লাগালে, অসময়ের জন্ম হয়। এই অসময় পরবর্তীকালে...