নির্বাচন ২০২৬ ও বামপন্থীদের ভাবনার বিশ্লেষণ দারুণ বলেছেন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বামপন্থীরা যদি অন্ততপক্ষে দ্বিতীয় স্থানে না আসতে পারে, আমার ধারণা, বামপন্থীরা ভয়ংকর ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। কারণ, মনে রাখতে হবে — ১) বিজেপির প্রধান শত্রু তৃণমূল নয়, বামপন্থীরা। ২) প্রকৃত বামপন্থীরা এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে যেটা করতে পারবে না, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সেটা নিমেষেই করে ফেলবে। অর্থাৎ জোড়া ফুলের অধিকাংশ পাঁপড়ি রঙ বদলে এবং ফুলের সংখ্যা কমিয়ে নিমেষেই এক ফুলে পরিণত হবে। তাই সবচেয়ে বেশি বিপদ বামপন্থীদেরই। সুতরাং পাল্টে যাচ্ছে ভেবে বামপন্থীরা যেন আহ্লাদিত হয়ে বসে না যায়। কারণ, তৃণমূলের চেয়েও বামপন্থীদের কাছে এটা অত্যন্ত কঠিন সময় এবং সেই সঙ্গে একটা দারুণ সুযোগও বটে। ১) সুযোগ এই কারণে যে, দুর্নীতি, স্বজন-পোষণ সীমাহীন চেহারা নিয়েছে এবং শিক্ষা ও প্রকৃত কর্মসংস্থানের প্রশ্নে এবং নারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে তারা ভীষণভাবে ব্যর্থ। সুতরাং শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ ক্ষুব্ধ। ২) নিম্নবর্গের মানুষ বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের বড় অংশই দুই ফুলের প্রতি আস্থা হা...
সরকারি অনুদান ও গরিব মানুষের কর্তব্য : সরকারি অনুদান পাওয়া গরীব ও নিম্নবিত্ত মানুষের হক। কিন্তু তা কখনও দূর্নীতি ও সজনপোষণে স্বীকৃতি দেওয়ার বিনিময়ে নয়। হক কেন? সম্পদের আসল মালিক : হক কেন বলছি? বলছি এই কারণে যে, প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের প্রকৃত মালিক হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। কারণ, তাদের মেধা ও শ্রমের বিনিময়েই পৃথিবীতে প্রথম সম্পদের জন্ম হয়েছে। এখনও সেভাবেই হয়। একদলা মাটি থেকে ইট তৈরি হওয়া, তা দিয়ে মামুলি কোন বাড়ি কিংবা প্রাসাদের মত পার্লামেন্ট ভবন, কিংবা মোটা চালের ভাত থেকে সরু বাসমতি চালের উৎপাদন—এক কথায় মানুষের বেঁচে থাকার, ভালো থাকার সমস্ত উপকরণ তৈরিতে যার শ্রম ও মেধার কোন বিকল্প নেই, তিনি হচ্ছেন এই শ্রমজীবী মানুষ। অথচ এই সম্পদের স্রষ্টা যারা, তারাই কখনও বিনা চিকিৎসায় মরেন, কখনও না খেয়ে মরেন। কখনও আবার আধপেটা খেয়ে অথবা অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়ে ধুকে ধুকে মরেন। এর থেকে মুক্তি পাওয়া দিন দিন অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। আর এই অবস্থা যে সৃষ্টি করা যাচ্ছে, তার কারণ হল— ১) এই শ্রমজীবী মানুষের অজ্ঞতা। ২) প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার আড়ালে লুকিয়ে রাখা কৌশলী শোষণ নীতি। ৩) এই নীতিক...