সরকারি অনুদান ও গরিব মানুষের কর্তব্য : সরকারি অনুদান পাওয়া গরীব ও নিম্নবিত্ত মানুষের হক। কিন্তু তা কখনও দূর্নীতি ও সজনপোষণে স্বীকৃতি দেওয়ার বিনিময়ে নয়। হক কেন? সম্পদের আসল মালিক : হক কেন বলছি? বলছি এই কারণে যে, প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের প্রকৃত মালিক হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। কারণ, তাদের মেধা ও শ্রমের বিনিময়েই পৃথিবীতে প্রথম সম্পদের জন্ম হয়েছে। এখনও সেভাবেই হয়। একদলা মাটি থেকে ইট তৈরি হওয়া, তা দিয়ে মামুলি কোন বাড়ি কিংবা প্রাসাদের মত পার্লামেন্ট ভবন, কিংবা মোটা চালের ভাত থেকে সরু বাসমতি চালের উৎপাদন—এক কথায় মানুষের বেঁচে থাকার, ভালো থাকার সমস্ত উপকরণ তৈরিতে যার শ্রম ও মেধার কোন বিকল্প নেই, তিনি হচ্ছেন এই শ্রমজীবী মানুষ। অথচ এই সম্পদের স্রষ্টা যারা, তারাই কখনও বিনা চিকিৎসায় মরেন, কখনও না খেয়ে মরেন। কখনও আবার আধপেটা খেয়ে অথবা অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়ে ধুকে ধুকে মরেন। এর থেকে মুক্তি পাওয়া দিন দিন অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। আর এই অবস্থা যে সৃষ্টি করা যাচ্ছে, তার কারণ হল— ১) এই শ্রমজীবী মানুষের অজ্ঞতা। ২) প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার আড়ালে লুকিয়ে রাখা কৌশলী শোষণ নীতি। ৩) এই নীতিক...
ধর্ম কেন এবং কীভাবে পালনীয়? (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সূর্যসেন পার্ক শ্রী শ্রী হরিচাঁদ সেবা সংঘের ৪৪ তম মতুয়া ধর্ম সম্মেলন ও লোকসংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য) সম্মানীয় সভাপতি, মঞ্চে উপবিষ্ট গুণীজন, সামনে উপবিষ্ট মা, বোন, ভাই এবং সন্তানসমান ছেলেমেয়েরা, সর্বোপরি আমার এই কণ্ঠস্বর মাইক্রোফোনের মাধ্যমে যাদের কান পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে, তাদের সকলকে আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। আজ আমরা শ্রী শ্রী হরিচাঁদ সেবা সংঘের ধর্ম সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছি। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন হয়েছি? এই কেন-র সঠিক উত্তর যদি আমার আপনার জানা না থাকে, তাহলে এই সম্মেলনে আসার যে উদ্দেশ্য, তা ব্যর্থ হবে। আসুন আমরা বোঝার চেষ্টা করি। আমরা সবাই জানি, এই ধরনের ধর্ম সম্মেলনে কিংবা মন্দির মসজিদে আমরা কেন যাই। যাই আমাদের মত প্রান্তিক ও নিম্নবর্গের (নিম্নবর্ণ কথাটা আমি ব্যবহার করি না) মানুষের দুঃখ দুর্দশা ঘোচানো এবং সুখী হওয়ার বাসনায়। আল্লাহ বা ভগবান এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন— এই আশায়। কিন্তু আমাদের সমস্যা হল, আমরা জানি না, আমার-আপনার ভগবান কিম্বা আল্লাহ ঠিক কী করলে সত্যি সত্যিই খুশি হন। কারণ, আমরা এ বিষয়ে পড়া...