সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আলী হোসেন : ডিজিটাল ডাইরি - আমার কথা

যে আসে আসুক, তৃণমূল যাক

যে আসে আসুক, তৃণমূল যাক Office of the Chief Electoral Officer West Bengal 13, Strand Road, Kolkata-700 001 Memo No. 5775 - Home (Elec.) R3E-64/2026 Dated: 22nd April, 2026 To: The District Election Officer (All District) Subject:- Web-casting in connection with General Election to WBLA, 2026-regarding dismounting of camera after poll. Madam/Sir. I am directed to inform that the earlier instruction about uninstallation of Camera and Delivery of Video Footage has been partially revised, as follows: After completion of poll, the Sector Officer is to visit the Polling Stations under his charge and guide the Polling Party with the sealing of EVMs, Statutory and Non-statutory Papers etc. When the Presiding Officer and his team is busy completing the closure formalities, the Camera Technician will remove the cameras strictly in the presence of Sector Officers. The technician will not remove the micro SD card from the cameras, but dismount the camera and hand it over to the Sector officer. Pol...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

নির্বাচন ২০২৬ ও বামপন্থীদের ভাবনার বিশ্লেষণ

নির্বাচন ২০২৬ ও বামপন্থীদের ভাবনার বিশ্লেষণ মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ। খুব্ধ হওয়ার নিশ্চিত কিছু কারণও রয়েছে। এই কারণে মধ্যবিত্ত শ্রেণি তৃণমূলের পক্ষ ত্যাগ করার কথা ভাবছে। ফলে বামপন্থীদের সমর্থন বাড়ছে। অন্য দিকে এই সুযোগে বিজেপিও ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে। এখন এভাবে বামপন্থীরা যদি তাদের হারানো ভোট ফিরে পেতে শুরু করে, যা তৃণমূলের দিকে গিয়েছিল, তাহলে তৃণমূল সরকার নিশ্চিতভাবেই বিপদে পড়বে। সুতরাং সরকারি দল তৃণমূল খুব ভালো জায়গায় নেই। তবে হারবেই একথা নিশ্চিত করতে হলে বামপন্থীদের গুরুদায়িত্ব নিতে হবে। সে বিষয়ে পরে আসছি। তৃণমূলের একমাত্র ভরসা খেঁটে খাওয়া মানুষের সেই অংশ, যারা শিক্ষা-দীক্ষায় এগোতে পারছেন না, মানুষ হিসেবে তাদের অধিকার কতটা, সে সম্পর্কে যাদের সম্যক ধারণা বা চেতনা নেই, তারা। এই শ্রেণির মানুষের কাছে বিভিন্ন প্রকার ভাতা পাওয়াটা, তাদের ‘চাওয়ার’ চেয়েও অনেক ‘বেশি পাওয়ার’ সামিল। একথা অত্যন্ত সঠিক যে, ভাতা পাওয়াটা খেটে খাওয়া মানুষের একধরনের অধিকার। কারণ,  ১) দেশের সম্পদের সৃষ্টি ও তাকে সংহত করার কাজটা একমাত্র ...

সরকারি অনুদান ও গরিব মানুষের কর্তব্য

সরকারি অনুদান ও গরিব মানুষের কর্তব্য : সরকারি অনুদান পাওয়া গরীব ও নিম্নবিত্ত মানুষের হক। কিন্তু তা কখনও দূর্নীতি ও সজনপোষণে স্বীকৃতি দেওয়ার বিনিময়ে নয়। হক কেন? সম্পদের আসল মালিক : হক কেন বলছি? বলছি এই কারণে যে, প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের প্রকৃত মালিক হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। কারণ, তাদের মেধা ও শ্রমের বিনিময়েই পৃথিবীতে প্রথম সম্পদের জন্ম হয়েছে। এখনও সেভাবেই হয়। একদলা মাটি থেকে ইট তৈরি হওয়া, তা দিয়ে মামুলি কোন বাড়ি কিংবা প্রাসাদের মত পার্লামেন্ট ভবন, কিংবা মোটা চালের ভাত থেকে সরু বাসমতি চালের উৎপাদন—এক কথায় মানুষের বেঁচে থাকার, ভালো থাকার সমস্ত উপকরণ তৈরিতে যার শ্রম ও মেধার কোন বিকল্প নেই, তিনি হচ্ছেন এই শ্রমজীবী মানুষ। অথচ এই সম্পদের স্রষ্টা যারা, তারাই কখনও বিনা চিকিৎসায় মরেন, কখনও না খেয়ে মরেন। কখনও আবার আধপেটা খেয়ে অথবা অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়ে ধুকে ধুকে মরেন। এর থেকে মুক্তি পাওয়া দিন দিন অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। আর এই অবস্থা যে সৃষ্টি করা যাচ্ছে, তার কারণ হল— ১) এই শ্রমজীবী মানুষের অজ্ঞতা। ২) প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার আড়ালে লুকিয়ে রাখা কৌশলী শোষণ নীতি। ৩) এই নীতিক...

ধর্ম কেন এবং কীভাবে পালনীয়?

ধর্ম কেন এবং কীভাবে পালনীয়? (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সূর্যসেন পার্ক শ্রী শ্রী হরিচাঁদ সেবা সংঘের ৪৪ তম মতুয়া ধর্ম সম্মেলন ও লোকসংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য) সম্মানীয় সভাপতি, মঞ্চে উপবিষ্ট গুণীজন, সামনে উপবিষ্ট মা, বোন, ভাই এবং সন্তানসমান ছেলেমেয়েরা, সর্বোপরি আমার এই কণ্ঠস্বর মাইক্রোফোনের মাধ্যমে যাদের কান পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে, তাদের সকলকে আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।  আজ আমরা শ্রী শ্রী হরিচাঁদ সেবা সংঘের ধর্ম সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছি। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন হয়েছি? এই কেন-র সঠিক উত্তর যদি আমার আপনার জানা না থাকে, তাহলে এই সম্মেলনে আসার যে উদ্দেশ্য, তা ব্যর্থ হবে। আসুন আমরা বোঝার চেষ্টা করি। আমরা সবাই জানি, এই ধরনের ধর্ম সম্মেলনে কিংবা মন্দির মসজিদে আমরা কেন যাই। যাই আমাদের মত প্রান্তিক ও নিম্নবর্গের (নিম্নবর্ণ কথাটা আমি ব্যবহার করি না) মানুষের দুঃখ দুর্দশা ঘোচানো এবং সুখী হওয়ার বাসনায়। আল্লাহ বা ভগবান এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন— এই আশায়। কিন্তু আমাদের সমস্যা হল, আমরা জানি না, আমার-আপনার ভগবান কিম্বা আল্লাহ ঠিক কী করলে সত্যি সত্যিই খুশি হন। কারণ, আমরা এ বিষয়ে পড়া...

ফ্যাসিবাদের লক্ষণ

ফ্যাসিবাদের লক্ষণ ফ্যাসিবাদ কী? ফ্যাসিবাদ হচ্ছে একটি চরম ডানপন্থী, স্বৈরাচারী এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক মতাদর্শ ও শাসনব্যবস্থা। এটি ২০শ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপে বিশেষ করে ইতালিতে বেনিতো মুসোলিনির নেতৃত্বে বিকশিত হয়। ‘ফ্যাসিস’ শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ ‘ফ্যাসেস’ থেকে, যা রোমের শাসকদের লিকটররা বহন করত—এটি ছিল কুঠারের চারপাশে বাঁধা লাঠির রাশি, যা ঐক্য ও কর্তৃত্বের প্রতীক। ফ্যাসিবাদের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ : 1. চরম জাতীয়তাবাদ: নিজ দেশ ও জাতিকে সবকিছুর উর্ধ্বে স্থান দেওয়া এবং ‘অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক শত্রু’র বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান। 2. স্বৈরাচারী নেতৃত্ব: একজন সর্বেসর্বা নেতা (যেমন: হিটলার বা মুসোলিনি) যিনি রাষ্ট্রের সবকিছুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং তাঁর প্রতি জনগণের অন্ধ ভক্তি প্রত্যাশিত হয়। 3. এক-দলীয় শাসন: দেশে কেবল একটি দল চলতে পারে, অন্য সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। 4. বিরোধী দল দমন: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা এবং ভিন্নমত পোষণের কোনো সুযোগ নেই। পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর মাধ্যমে বিরোধীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়। 5. সামরিকবাদ: সেনাবাহিনী ও যুদ্ধকে মহিমান্বিত ...

ধর্ম ও ধর্মান্ধতা কী?

ধর্ম ও ধর্মান্ধতার পার্থক্য কী? ধর্ম ও ধর্মান্ধতা এক জিনিস নয়। ধর্ম মানুষকে ভালবাসতে শেখায়। ধর্মান্ধতা অনেক সময়ই মানুষকে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। ধর্ম সহনশীল হতে শেখায়। ধর্মান্ধতা মানুষকে উগ্র ও সাম্প্রদায়িক করে তোলে। ধর্ম মানুষকে নীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। ধর্মান্ধতা নীতিহীন করে না তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাকে যুক্তি বুদ্ধির বাইরে চালিত করে। মানবিক করে তোলে। যাকে সে ভালোবাসতে পারবে না, একজন ধার্মিক মানুষ তাকে ঘৃণাও করতে পারবেন না। বরং বিপদের দিনে তার পাশে দাঁড়াতে ইতস্তত করবে না। ধর্মান্ধ মানুষ উল্টো আচরণ করে।

চাকরি পাওয়ার শর্ত

চাকরি পাওয়ার শর্ত : চাকরি পেতে গেলে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হয়, চাকরি পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। চাকরি কেউ দেয় না, চাকরি অর্জন করতে হয়, অন্যকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে। এর জন্য দরকার বিদ্যা, বুদ্ধি আর কঠোর পরিশ্রম। ধর্মীয় আর রাজনৈতিক নেতাদের দাস হয়ে যারা সহজেই বেহেশত আর সরকারি চাকরি পাওয়ার আশা করে থাকেন, তারা জেনে রাখুন ২.১% (মুসলিমদের চাকরির হার) এর এই ফিগার কোনদিনই বদলাবে না। আসাদ উদ্দিন অথবা আব্বাস সিদ্দিকী, যাকেই ভোট দেন না কেন। আলী হোসেন লেখাটির উৎস দেখুন ফেসবুকে ।

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি দরদ না ভন্ডামি

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি দরদ না ভন্ডামি! ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু —এই বিষয়টিকে আপনি যদি স্বীকৃতি দেন (এভাবে ভাবা যদিও অযৌক্তিক) এবং নিজের ধর্মের মানুষ হিসেবে আপনি যদি কোন জনগোষ্ঠীকে আপন বলে ভাবেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট যদি আপনাকে কষ্ট দেয়, তাহলে নিজের দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি আপনার সবচেয়ে বেশি নজর রাখা উচিৎ। কারণ, আপনার দেশে যারা সংখ্যালঘু, অন্য কোন দেশে তারাই সংখ্যাগুরু। আপনার দেশে সংখ্যালঘুরা যদি শান্তিতে থাকতে না পারেন, বৈষম্যের শিকার হওয়াকে আপনি যদি আটকাতে না পারেন, তাহলে অন্য দেশে আপনার ধর্মের সংখ্যালঘু মানুষকে নিরাপদ রাখার বিষয়টি অযৌক্তিক এবং কার্যত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। মনে রাখতে হবে, ধর্মীয় কারণে যারা সংখ্যালঘুদের বঞ্চিত করেন, তারা মানবিক গুণসম্পন্ন নয়। তারা সম্পূর্ণ স্বার্থান্ধ এক শ্রেণি, যারা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সম্পদের সুষম বন্টন তত্ত্বে বিশ্বাস করেন না। অন্যদিকে সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যবস্থায় তারা বর্ণবাদে (উঁচুজাত ও নিচুজাত তত্ত্বে) বিশ্বাসী। আপনি যদি আপনার দেশে এই স্বার্থান্ধ ও ধর্মান্ধ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হন, তবে আপনার মাথায় রাখা উচিত, যে আপনার মতো এই শ্রেণির মানব...

ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সম্পর্ক

ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সম্পর্ক : ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সম্পর্ক কী, কতটা এবং কীভাবে — এ বিষয়ে ভেবেছেন কখনো? আমরা অধিকাংশ মানুষ এর উত্তরে বলি, কখনো কেন, সবসময় ভাবছি। সারা পৃথিবী জুড়ে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ (মৌলবাদ) ভয়ংকর চেহারা নিয়েছে। হ্যাঁ, বলি বটে, কিন্তু দুর্ভাগ্যের কথা হল, হিন্দু হিসাবে এই ‘আমি’ শুধুমাত্র ‘মুসলিম সন্ত্রাসবাদ’কেই দেখতে পাই। আর মুসলিম হিসেবে দেখতে পাই শুধুমাত্র ‘হিন্দু সন্ত্রাসবাদ’কে। এই পরিস্থিতিতে ভারত এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন ঘটনা এই ‘আমাদের’কে আরও বেশি বেশি করে ভাবাচ্ছে। এবং আমরা চাইছি, এর অবসান ঘটুক। এবং সেকারণেই আমার করণীয় হিসেবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পোস্ট দিয়ে ‘দিপু দাসকে পুড়িয়ে মারার’ তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। কেউ আবার আফরাজুলকে সামনে এনে চুপচাপ থেকে এই ভেবে আনন্দ পাচ্ছি যে, ‘দেখ্ কেমন লাগে’। হ্যাঁ এভাবেই ভেবেছেন এবং এখনোও ভেবে চলেছি আমরা। এই আপনি-আমিই আবার চাই সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদের অবসান ঘটুক। কিন্তু মজার কথা হল, আপনি বা আমি তা পাচ্ছি না। এবার আসুন ভাবি, কেন পাচ্ছি না, কোথায় আমাদের গলদ। আসলে প্রকৃত ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোন সম্পর্ক নেই। ধর...

আত্মীয়তার সম্পর্ক ও ভোটার লিস্টে নাম নথিভুক্তিকরণ

আত্মীয়তার সম্পর্ক ও ভোটার লিস্টে নাম নথিভুক্তিকরণ : প্রত্যয় সরকার : রিলেটিভ বা আত্মীয় বলতে নির্বাচন কমিশন রক্তের সম্পর্কের রিলেটিভ-এর কথা বুঝিয়েছে। স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক হয় না। এক্ষেত্রে তাই স্বামী বা স্ত্রী পরস্পর পরস্পরের আত্মীয় নয়। অরুণার নিজের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, এবং ঠাকুরদার নাম ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নেই। কিন্তু ঠাকুমার নাম আছে।   ঠাকুমার সঙ্গে তার বাবার রক্তের সম্পর্ক আছে। আর বাবার সঙ্গে তার নিজের রক্তের সম্পর্ক আছে। এই সূত্রে তার সঙ্গে তার ঠাকুমার রক্তের সম্পর্ক আছে। এই কারণে ঠাকুমার নাম সে ডানদিকের ঘরে আত্মীয় হিসেবে ব্যবহার করতে পারছে। এই ডানদিকের ঘরে অরুণার ঠাকুমার পূর্ণাঙ্গ পরিচয় তুলে ধরার কথা বলা হচ্ছে। যেমন, উপরে সে নিজের সম্পূর্ণ পরিচয় তুলে ধরেছে। এই পূর্ণাঙ্গ পরিচয়ের সূত্রে অরুণার নাম ভোটার লিস্টে ওঠার ক্ষেত্রে তার ঠাকুরমা-ই তার একমাত্র ভরসা। তার ঠাকুরদার এখানে ভূমিকা নেই বললেই চলে। কারণ, ঠাকুরদার নাম ২০০২ সালের ভোটার লিস্টেই তো নেই। এই কারণে অরুণার ঠাকুরমার পূর্ণাঙ্গ পরিচয় এর সঙ্গে তার ঠাকুরদার নাম আত্মীয় হিসেবে জুড়ে দিয়ে ক...

আলী হোসেনের বহুল-পঠিত উক্তিগুলো পড়ুন

ধর্মের নামে রাজনীতিই প্রমাণ করে আমরা মধ্যযুগীয়

ধর্মের নামে রাজনীতিই প্রমাণ করে আমরা মধ্যযুগীয় ভারতবর্ষে এখনও যে ধর্মের নামে রাজনীতি হয় বা হচ্ছে, তাতেই প্রমাণ হয় আমরা আধুনিক নয়, চিন্তায়-চেতনায় এখনো মধ্যযুগে বাস করি। কারণ, আধুনিক যুগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আছে। কোন জাতি, নিজেকে আধুনিক বলে দাবি করতে চাইলে, এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের মধ্যে থাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো হল ধর্ম-মুক্ত রাজনীতি। পৃথিবীর যেখানে যেখানে রাজনীতি ধর্মমুক্ত হয়েছে, সেখানে সেখানে রাজনৈতিক হিংসা হানাহানি অনেক কমে গেছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যা আধুনিকতার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর দিকে তাকালেই বুঝতে পারা যায় ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি সম্পর্কিত থাকলে কি ভয়ংকর রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। বোঝা যায়, কীভাবে নিরবিচ্ছিন্ন অস্থিরতা ও রাজনৈতিক হিংসা এবং প্রতিহিংসার দাপটে একটা জাতি শতধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। মূলত এ কারণেই, অসংখ্য ছোট ছোট, বলা ভালো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়েছে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য। ফলে সাম্রাজ্যবাদী বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর নয়া সাম্রাজ্যবাদী নাগপাশ ...

ইতিহাস কী?

ইতিহাস কী? ইতিহাস হচ্ছে মানুষের তৃতীয় নয়ন। এই তৃতীয় নয়ন মানুষকে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ বিষয়ে সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করে। এই পর্যবেক্ষণই জগত এবং জীবনের প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একজন মানুষ, জগত ও জীবন সম্পর্কে  প্রকৃত সত্য যতটা উপলব্ধি করতে পারেন, তিনি ততটাই শিক্ষিত বলে বিবেচিত হন। তাই ইতিহাস জানা এবং বোঝা ছাড়া একজন মানুষ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারেন না। ইতিহাস কেন তৃতীয় নয়ন? একটা উদাহরণ নেওয়া যাক। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কথা ধরুন। আমরা এই ঘটনাকে যখন প্রত্যক্ষ করি, তখন দেখি দুটি ভিন্ন ধর্মের মানুষ পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে সহিংস হয়ে উঠছে। আমরা খুব সহজেই এই ঘটনাকে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দিই এবং ধর্মকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করি। ধর্মীয় বিদ্বেষের ফল হিসেবে সেগুলোকে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ইতিহাসকে কার্যকারণ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, এই দাঙ্গাগুলোর পিছনে ধর্মের চেয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য খুবই শক্তিশালী ভূমিকায় রয়েছে। অর্থাৎ মূলত, ...

ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা যায় না।

ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা যায় না প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা যায় না। কারণ দুটোরই ভিত্তি হচ্ছে যুক্তিবিমুখ বিশ্বাস। তাই, কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা হয়তো যায়। কিন্তু ধর্ম দিয়ে ধর্মান্ধতা দূর করা কখনই যায় না। একথা ভুলতে বসেছেন যাঁরা, তাঁরা নিজেদের প্রগতিশীল দাবি করতেই পারেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এতে প্রগতিশীলতা গতিলাভ করে না বরং গতি হারায়। --------x------- Di Ansar Ali হ্যা, পরিস্থিতি অনুযায়ী সমঝোতা করতে হয়। কিন্তু মাথায় রাখতে হয়, তাতে আমার সত্যিই কোনো লাভ হচ্ছে কিনা। এবং তার অদূর ও সুদূরপ্রসারী ফলাফল প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করাটা মোটেই যুক্তিযুক্ত নয় বলেই মনে হয়। কারণ, তাতে পরের যাত্রা হয়তো ভঙ্গ হয়, কিন্তু নিজের শরীরে ভয়ঙ্কর ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়ার দখলদারি বেড়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, এই হিসাবটা ঠিকঠাক না করতে পারলে পরিস্থিতি অনুকূলে আসার পরিবর্তে প্রতিকূলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। এক্ষেত্রে 'দশচক্রে ভগবান ভুত হওয়ার' বিষয়টিও মাথায় রাখার প্রয়োজন খুব বেশি বলেই আমি মনে করি। যারা প্রগতিশীল নয়, বলে এতদি...

বিজেপি ও আরএসএস কি আলাদা?

বিজেপি ও আরএসএস কি আলাদা? বিজেপি ও আরএসএস-এর রসায়ন সম্পর্কে সম্যক অবহিত আছেন, এমন মানুষদের সবাই জানেন বিজেপির সঙ্গে আরএসএস-এর গভীর সম্পর্কের কথা। এবং তাঁরা এটাও জানেন যে, আরএসএস দ্বারা বিজেপি নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়। তাই এই দুই সংগঠনকে আপাতদৃষ্টিতে আলাদা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এরা আলাদা নয়। বরং এরা একে অপরের পরিপূরক। বিস্তারিত দেখুন এখানে ক্লিক করে

বিজ্ঞান শিক্ষার পরিবর্তে ধর্মশিক্ষার প্রচলন ও তার পরিণতি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্ম শিক্ষার প্রভাব দেশের বড় বড় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেভাবে বেদ ও পুরাণসহ ধর্মশাস্ত্র পড়ানোর ধুম লেগেছে তাতে ভারতবর্ষ খুব তাড়াতাড়ি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মত অশিক্ষার কানাগলিতে ঢুকে যাবে। এভাবে চলতে থাকলে,বলা ভালো যেতে বাধ্য হবে। শিবপুর আই আই ই এস টি তে যেভাবে বেদ ও পুরাণ ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে তাতে এই আশঙ্কা প্রকট হয়ে উঠছে। সেই সঙ্গে গোলওয়ালকরের ছবি ও বই রেখে যেভাবে বিচ্ছিন্নতা ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন মতাদর্শকে হাইলাইট করা হচ্ছে তাতে ভারতের ভবিষ্যত দুর্দশার রূপটি স্পস্ট হয়ে উঠছে। বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন ফেসবুকে দেখুন এখানে ক্লিক করে