নিরক্ষরতা নয়, অশিক্ষাই পুঁজিবাদের আসল পুঁজি। তাই পরিকল্পনা করেই অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মান্ধতা ঢোকাচ্ছে সরকার, গরীব-মধ্যবিত্তের মধ্যে। --------------------------------------------------------- Goutam Ray হ্যাঁ, আপনি আপনার মত করে ব্যাখ্যা করে নিতেই পারেন। কিন্তু আমি সে কথা ভাবছি কিনা বা বলছি কিনা তার পুরোটা তো কেবল আমিই জানি। আচ্ছা আপনি কথায় কথায় এত রেগে উঠেন কেন? সবকিছুকে এত নেগেটিভ সেন্সে নেন কেন? সবাইকে এত সন্দেহের চোখে দেখেন কেন? এত ধৈর্য হারাতে হয়? আপনি আমার কথা বুঝতে পারেনি বুঝতে পেরেছি। কিন্তু সেটা জিজ্ঞেস করলেই পারতেন যে আপনার কথা বুঝতে পারিনি। একটু বুঝিয়ে বলুন। যেমন আমি বলেছিলাম আপনার মন্তব্য পড়ে। আসলে আপনার কিছু সমস্যা আছে। কথায় কথায় মানুষকে ছোট করার একটা প্রবণতা আছে মনে হয়। থাকতেই পারে। কিন্তু আপনার জানা বোঝা উচিত যে, আপনি কাউকে ছোট করতে চাইলেই সে ছোট হয়ে যাবেনা। মানুষের পাশে থাকা, মানুষের সঙ্গে থাকা, মানুষের সাথে থাকা, কথাগুলোর মানে আপনি বোঝেন না, সেটা আমি জানতাম না। এই না জানাটা হয়তো আমার দুর্বলতা। কারণ, আপনাকে এতদিনেও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। কিন্তু..... কিন্তু আপনি...
ইতিহাস কী? ইতিহাস হচ্ছে মানুষের তৃতীয় নয়ন। এই তৃতীয় নয়ন মানুষকে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ বিষয়ে সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করে। এই পর্যবেক্ষণই জগত এবং জীবনের প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একজন মানুষ, জগত ও জীবন সম্পর্কে প্রকৃত সত্য যতটা উপলব্ধি করতে পারেন, তিনি ততটাই শিক্ষিত বলে বিবেচিত হন। তাই ইতিহাস জানা এবং বোঝা ছাড়া একজন মানুষ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারেন না। ইতিহাস কেন তৃতীয় নয়ন? একটা উদাহরণ নেওয়া যাক। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কথা ধরুন। আমরা এই ঘটনাকে যখন প্রত্যক্ষ করি, তখন দেখি দুটি ভিন্ন ধর্মের মানুষ পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে সহিংস হয়ে উঠছে। আমরা খুব সহজেই এই ঘটনাকে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দিই এবং ধর্মকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করি। ধর্মীয় বিদ্বেষের ফল হিসেবে সেগুলোকে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ইতিহাসকে কার্যকারণ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, এই দাঙ্গাগুলোর পিছনে ধর্মের চেয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য খুবই শক্তিশালী ভূমিকায় রয়েছে। অর্থাৎ মূলত, ...