সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মানব সভ্যতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মানব সভ্যতার স্বরূপ

মানব সভ্যতার স্বরূপ মানুষ স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক বিষয়, কিন্তু মানব সভ্যতা কৃত্রিম। তাই তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। প্রত্যেক কৃত্রিম বিষয়ের যেমন থাকে। প্রকৃতি তার ইচ্ছেমতো বিশ্ব প্রকৃতিকে সাজিয়েছেন। তার সেই ইচ্ছারই সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ হল মানুষ। তাই মানুষ একটি প্রাকৃতিক জীব। কিন্তু মানব সভ্যতা মানুষের তৈরি। তাই তা কৃত্রিম। কৃত্রিম বা অপ্রাকৃতিক সবকিছুর সবকিছুর মতোই মানব সভ্যতার কিছু সাইডএফেক্ট বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। সেই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকেই জন্ম নিয়েছে সমাজে অন্যায় অবিচার খুব বিক্ষোভ দ্বন্দ্ব সংঘাত। সভ্যতার জন্মের আগে পৃথিবী ছিল

মানব সভ্যতা কী?

মানব সভ্যতা কী? ‘মানব সভ্যতা’ হল একটি বিশ্বব্যাপী জীবন ব্যবস্থা, যা মানুষের দ্বারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এই জীবন ব্যবস্থা মোটামুটি পাঁচটি অংশ দ্বারা গঠিত। এগুলো হল সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও ধর্ম। কারণ, এই পাঁচটি অংশ (ব্যবস্থা) মানুষের জীবনকে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিন ও পরিচালনা করে।  সুতরাং মানব সভ্যতা বলতে মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির এমন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যেখানে মানুষের জীবন উত্তরোত্তর উন্নত, সংগঠিত এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিকশিত হয়। অর্থাৎ এক কথায় মানব সভ্যতা হল মানুষের জ্ঞান, শিক্ষা, নৈতিকতা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকাশের ফল। সহজভাবে বলতে গেলে, মানুষ যখন দলবদ্ধভাবে বসবাস করতে শুরু করে এবং তাদের জীবনযাত্রায় শৃঙ্খলা, নিয়মকানুন, কৃষি, ভাষা, লিখন পদ্ধতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো বিকশিত হতে থাকে, তখন তাকে সভ্যতা বলা হয়। আর এগুলোর ওপর ভিত্তি করে যখন মানুষের জীবন ব্যবস্থা অগ্রগতির (বিবর্তনের) পথে গতিশীল থাকে তখন সেই জীবন...

আলী হোসেনের বহুল-পঠিত উক্তিগুলো পড়ুন