সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সমাজ সংক্রান্ত লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সব মানুষই আসলে এক-একজন পাগল

মানুষ আসলে কী? সব মানুষই আসলে এক-একজন পাগল। কেউ কাজ পাগল, কেউ ফাঁকিবাজিতে পাগল। কেউ গান পাগল, তো কেউ জ্ঞান পাগল। কেউ বা আবার পান পাগল। কিছু না কিছু নিয়ে আমরা প্রত্যেকে পাগলের মত ছুটে বেড়াচ্ছি। থামবো কবে? প্রসঙ্গ জানতে এখানে ক্লিক করুন

সত্য মোটেও সহজপাচ্য নয়

Truth is not easy to digest সত্য মোটেই সহজপাচ্য নয়। স্বাভাবিক কারণেই সবার তা সহজে হজমও হয় না। তাই বদহজম এড়াতে, আমরা অজুহাত খুঁজি। যার অন্য নাম 'অসত্য বচন'। 'অসত্য বচন'-এর ভিত্তিভুমি হচ্ছে অসততা। আমরা অধিকাংশই জানি না, অসততার জন্ম হয় অশিক্ষার অন্ধকার থেকে।

নিন্মবর্গের মানুষ কীভাবে পিছিয়ে পড়েছেন? পাঠকের মত ও তার উত্তর - ২

Bashisthadev Thakur কেমন স্ববিরোধী হয়ে গেল না সাথি, আপনার মতামত? প্রথমে বললেন আমার কথাটা ফালতু। আবার যুক্তি দিতে গিয়ে আমার কথাটাই তো তুলে আনলেন। ঠিক বুঝলাম না। কি বোঝাতে চাইলেন। বৌদ্ধ ধর্ম ভারতের সমাজবিন্যাস পাল্টায়নি? বলুন পাল্টে গেছে সেটা আপনার নজরে পড়েনি। 'অষ্টাঙ্গিক মার্গে'র কথা পড়েননি? যদিও পরিবর্তিত সমাজবিন্যাস বোঝার মত অবস্থায় বর্তমানে বৌদ্ধ ধর্ম নেই। ব্রাহ্মণ্য ধর্মের আক্রমণের মুখে তা তো সেই কবেই দেশছাড়া হয়ে গেছে। তাই না দেখতে পাওয়াটাই স্বাভাবিক। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে যান, দেখতে পাবেন বৌদ্ধ ধর্মের সমাজ বিন্যাস কেমন? বৌদ্ধধর্ম কোন রিলিজিয়ান ছিল না? কীভাবে বলছেন? 'হীনযান' 'মহাজানে'র কথা পড়েননি? খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে প্রতিবাদী আন্দোলনের ইতিহাস জানেন না? শুধু বৌদ্ধ ধর্ম না, ব্রাহ্মণ্য ধর্মের প্রতিবাদে সেই সময় ৬০টিরও বেশি ধর্ম সম্প্রদায়ের জন্ম হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত টিকে আছে দুটো। তাও তাদের এদেশে ঠাঁই হয়নি। এখনো ভারতের যেখানে যেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ আছেন, তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেই এর উত্তর পেয়ে যাবেন। পূর্ববঙ্গে ইস...

নিন্মবর্গের মানুষ কীভাবে পিছিয়ে পড়েছেন? পাঠকের মত ও তার উত্তর

Subrata Kumar Biswas বিভাজন যাদের মজ্জাগত, এবং শোষনের হাতিয়ার, তারা ভারতের মানুষকে হাজার ভাগে বিভক্ত করবেন সেটাই স্বাভাবিক। আপনি যদি সেই দলের হন তবে আপনি ঠিকই বলেছেন। আমি আপনার দলে নই। আমি সমাজের মানুষকে দুইভাগে বিভক্ত হতে দেখেছি। সুবিধাভোগী আর সুবিধা বঞ্চিত। বুঝবার সুবিধার জন্য তাই তাদেরকে উচ্চবর্গ আর নিম্নবর্গ বলেছি। আপনি নিজেকে ‘সম্যক ধারণার’ অধিকারী বলে দাবি করছেন, অথচ উচ্চবর্গ এবং নিম্নবর্গ শব্দ দুটিকে উচ্চবর্ণ ও নিম্নবর্ণের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন। বুঝদার মানুষ হিসেবে আপনার বোঝা উচিত ছিল বর্গ আর বর্ণের পার্থক্যের কথা। হিন্দু সমাজ সম্পর্কে আমার কি ধারণা আছে তা প্রকাশ করার জন্য এই নিবন্ধ আমি লিখিনি। সুতরাং তা আপনি এখান থেকে পাবেন না।  আমার লেখার উদ্দেশ্য যেটা, সেটা প্রকাশ করার জন্য যেটুকু বলা দরকার সেটুকুই বলেছি। আপনি যদি সেটা ধরতে না পারেন, তার দায় বোধহয় আপনারই। আমার নয়। বুঝতে না পারলে জিজ্ঞাসা করতে পারতেন। তখন ব্যাখ্যার দায় খানিকটা আমার ওপর পড়ত বটে। কিন্তু আপনি তো সে পথে হাঁটেননি। নিজেকে পন্ডিত আর আমাকে মূর্খ ভেবেছেন। ভাবতেই পারেন। ভাবুন। কে  আটকাবে আপনাকে? তবে ...

সভ্য সমাজের শ্রদ্ধা ও সম্মানের বিষয় কী?

সভ্য সমাজে জীবশ্রেষ্ঠ মানুষ, ধর্মশ্রেষ্ঠ মানবতা, আর চিন্তনশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানমনস্কতা ছাড়া আর কী কিছু আছে, যাকে শ্রদ্ধা কিম্বা সম্মান করা যায়? ১ জুলাই ২০০১৭ দেখুন ফেসবুকেই এখানে ক্লিক করুন ।

আমরা কেন মার খাচ্ছি

এদেশের নিম্নবর্গের মানুষরা নিজেদের বাঁচাতে যুগ যুগ ধরে ধর্ম পরিবর্তন করেছে। কখনো বৌদ্ধ, কখনো মুসলিম, কখনো খ্রিস্টান হয়েছে তারা। কিন্তু কখনই নিজেদের চিন্তা-চেতনাকে পাল্টানোর কথা ভাবেনি। পরিবর্তন হচ্ছে প্রাকৃতিক নিয়ম। যারা এই নিয়ম মেনে সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে তারাই লাভবান হয়,টিকে থাকে। পৃথিবীর যেকোন উন্নত জাতির দিকে তাকান, তারা দ্রুততার সঙ্গে এই পরিবর্তনকে মেনে নিজেদেরকে পুনর্গঠন করে নিয়েছে। যারা পারেনি বা নেয়নি তারাই মার খাচ্ছে। চিন জাপান ইউরোপ সহ যারাই এবং যখনই এই পরিবর্তন মেনে নিয়েছে তখনই উন্নত এবং শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। বিস্তারিত পড়ুন এখানে ক্লিক করে।

আলী হোসেনের বহুল-পঠিত উক্তিগুলো পড়ুন