চাকরি পাওয়ার শর্ত : চাকরি পেতে গেলে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হয়, চাকরি পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। চাকরি কেউ দেয় না, চাকরি অর্জন করতে হয়, অন্যকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে। এর জন্য দরকার বিদ্যা, বুদ্ধি আর কঠোর পরিশ্রম। ধর্মীয় আর রাজনৈতিক নেতাদের দাস হয়ে যারা সহজেই বেহেশত আর সরকারি চাকরি পাওয়ার আশা করে থাকেন, তারা জেনে রাখুন ২.১% (মুসলিমদের চাকরির হার) এর এই ফিগার কোনদিনই বদলাবে না। আসাদ উদ্দিন অথবা আব্বাস সিদ্দিকী, যাকেই ভোট দেন না কেন। আলী হোসেন লেখাটির উৎস দেখুন ফেসবুকে ।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি দরদ না ভন্ডামি! ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু —এই বিষয়টিকে আপনি যদি স্বীকৃতি দেন (এভাবে ভাবা যদিও অযৌক্তিক) এবং নিজের ধর্মের মানুষ হিসেবে আপনি যদি কোন জনগোষ্ঠীকে আপন বলে ভাবেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট যদি আপনাকে কষ্ট দেয়, তাহলে নিজের দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি আপনার সবচেয়ে বেশি নজর রাখা উচিৎ। কারণ, আপনার দেশে যারা সংখ্যালঘু, অন্য কোন দেশে তারাই সংখ্যাগুরু। আপনার দেশে সংখ্যালঘুরা যদি শান্তিতে থাকতে না পারেন, বৈষম্যের শিকার হওয়াকে আপনি যদি আটকাতে না পারেন, তাহলে অন্য দেশে আপনার ধর্মের সংখ্যালঘু মানুষকে নিরাপদ রাখার বিষয়টি অযৌক্তিক এবং কার্যত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। মনে রাখতে হবে, ধর্মীয় কারণে যারা সংখ্যালঘুদের বঞ্চিত করেন, তারা মানবিক গুণসম্পন্ন নয়। তারা সম্পূর্ণ স্বার্থান্ধ এক শ্রেণি, যারা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সম্পদের সুষম বন্টন তত্ত্বে বিশ্বাস করেন না। অন্যদিকে সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যবস্থায় তারা বর্ণবাদে (উঁচুজাত ও নিচুজাত তত্ত্বে) বিশ্বাসী। আপনি যদি আপনার দেশে এই স্বার্থান্ধ ও ধর্মান্ধ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হন, তবে আপনার মাথায় রাখা উচিত, যে আপনার মতো এই শ্রেণির মানব...