Bhabani Sankar Chatterjee সাথি, যেগুলো বললেন সেগুলোর সঙ্গে অবশ্যই একমত। কিন্তু কিছু কথা বাদ দিয়ে গেলেন। মনে হয় আপনার রাজনৈতিক মত ও পথের সঙ্গে মিলবে না বলেই তা করলেন। যেমন, ১) নেতাজির জাতীয়তাবাদ ছিল ভারতীয় জাতীয়তাবাদ। তথাকথিত হিন্দু জাতীয়তাবাদ নয়। ২) তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে ছিলেন। হিন্দু-মুসলিম সহ সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের সমানাধিকার ও সাবস্থানে বিশ্বাসী ছিলেন। ৩) ধর্মনিরপেক্ষ নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তার আজাদ হিন্দ বাহিনীর গঠন বিশ্লেষণ করলেই তা বোঝা যায়। ৪) তিনি হিন্দু-মুসলমানের স্বার্থকে অভিন্ন বলে ভাবছেন। ৫) তিনি বাংলা ভাগ সহ ভারতবর্ষের ভাগ চাননি। ৬) তিনি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বিশ্বাসী ছিলেন। ৭) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল তিনি ধনতন্ত্রের বিপক্ষে এবং সম্পদের সামাজিক মালিকানায় বিশ্বাসী ছিলেন। ৮) জাতিভেদ ও বর্নভেদ ব্যবস্থার বিরোধী ছিলেন। এগুলো কোনোটাই আপনার দলের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং এর ঠিক উল্টো দিকে তার অবস্থান। প্রসঙ্গ জানতে এখানে ক্লিক করুন
ইতিহাস কী? ইতিহাস হচ্ছে মানুষের তৃতীয় নয়ন। এই তৃতীয় নয়ন মানুষকে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ বিষয়ে সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করে। এই পর্যবেক্ষণই জগত এবং জীবনের প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একজন মানুষ, জগত ও জীবন সম্পর্কে প্রকৃত সত্য যতটা উপলব্ধি করতে পারেন, তিনি ততটাই শিক্ষিত বলে বিবেচিত হন। তাই ইতিহাস জানা এবং বোঝা ছাড়া একজন মানুষ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারেন না। ইতিহাস কেন তৃতীয় নয়ন? একটা উদাহরণ নেওয়া যাক। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কথা ধরুন। আমরা এই ঘটনাকে যখন প্রত্যক্ষ করি, তখন দেখি দুটি ভিন্ন ধর্মের মানুষ পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে সহিংস হয়ে উঠছে। আমরা খুব সহজেই এই ঘটনাকে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দিই এবং ধর্মকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করি। ধর্মীয় বিদ্বেষের ফল হিসেবে সেগুলোকে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ইতিহাসকে কার্যকারণ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, এই দাঙ্গাগুলোর পিছনে ধর্মের চেয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য খুবই শক্তিশালী ভূমিকায় রয়েছে। অর্থাৎ মূলত, ...