সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি সম্পর্কে হযরত মুহাম্মদ

এই কথাগুলি যিনি বলেছেন তিনি একজন মহাপুরুষ। এই কথাগুলো পড়ার পর আপনার কি মনে হচ্ছে না, যিনি কার্টুন আঁকলেন, যিনি কার্টুন টিকে ছাত্রদের দেখালেন, আর দেখানোর অপরাধে যিনি ওই শিক্ষককে হত্যা করলেন এই তিনজনই আসলে উন্মাদ।

প্রসঙ্গ ফ্রান্স: আমি কিছু বলব কি না

Sk Minhajul এটাতো ফ্রান্স-এর ঘটনা। এখান থেকে অনেক দূর। ওখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা অনেকটাই কঠিন কাজ। আগে একটু তথ্য সংগ্রহ করি। ভালো করে বোঝার চেষ্টা করি। তখন যদি প্রয়োজন মনে হয় নিশ্চয়ই বলবো। কোন ঘটনা ঘটলো, আর ভালো করে না জেনে, না বুঝে মন্তব্য করে দিলাম। এটা আমার স্বভাব নয়। পৃথিবীর সব কিছুর সঙ্গে রাজনীতি জড়িয়ে থাকে। আর রাজনীতি বোঝাটা অতটা সহজ কাজ না। অনেক সময় লাগে। পক্ষে-বিপক্ষে ওঠা কথাগুলো সোনা লাগে। তারপর যুক্তি-বুদ্ধি তথ্য দিয়ে তা বিচার বিশ্লেষণ করে মতামত দিতে হয়। তাই সময় লাগে। আমি তো  তসবি গোনা  কোন হুজুর নই, কিংবা টিকি ধারী কোন পন্ডিতও নই, যাদের সাথে নাকি  স্বয়ং উপরওয়ালার  যোগাযোগ থাকে। দুনিয়ার কেউ না বুঝুক, তারা সব আগে ভাগে বুঝে ফেলে। তেমন ক্ষমতা তো আমার নেই। তাই না? আমি একজন সাধারণ মানুষ। তাই সময় লাগে। তাই বুঝতে পারলে বলি। না-বুঝতে না পারলে সে সম্পর্কে চুপ থাকি। কারণ, এক্ষেত্রে চুপ থাকাটাই শিক্ষিত মানুষের কাজ। বলার মত তথ্য যখন পাবো। চেষ্টা করবো বলার। ঘটনাটা ঘটেছে ফ্রান্সে। সেখানে তো মানুষ আছে। তারা তো তাদের মতো করে প্রতিবাদ করছে। সপক্ষে বিপক্ষে তারা...

এটা স্পর্শকাতর' বিষয় নয়, দুই ভাইয়ের সমস্যা।

Monoj Bag আমার কাছে এটা কোন স্পর্শকাতর বিষয় বলে মনে হয় নি। এটা একটা সামাজিক সমস্যা। একটা পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে যেমন মতপার্থক্য থাকে এবং তা কখনো কখনো সমস্যা সৃষ্টি করে, আমার কাছে এটা সেই ধরনের একটা সমস্যা। এই সমস্যা গোপন করলে বা এড়িয়ে গেলে পারস্পরিক দূরত্ব বেড়ে যায়। এবং সেই দূরত্ব একসময় মহাসমুদ্রের আকার ধারণ করে। সেই সমুদ্রেই একসময় দুই ভাইকে ডুবিয়ে মারে। তাই পালিয়ে যাওয়া নয়, কিংবা এড়িয়ে যাওয়া নয়, শ্রদ্ধেয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মত সত্যকে উপলব্ধি করা এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমাদের চেষ্টা করা খুবই উচিত বলেই আমার মনে হয়েছে। কবিগুরুর কথায়, ভালো-মন্দ যাহাই আসুক সত্যরে লও সহজে। আশা করি বিষয়টি আমরা সহজেই নিতে পারব এবং আপনাকে পাশে পাব। এবং সে কারণেই এই পোস্ট টা করা। আসুন দূরত্বটা কমানোর চেষ্টা করি, এবং আস্তে আস্তে মুছে দেয়ার চেষ্টা করি। যদিও এই আহ্বানটাই ছিল আমার পোষ্টের মূল বক্তব্য বা লক্ষ্য। তবু আপনি এবং প্রভাতদা ভুল বুঝলেন - এটা আমার দুর্ভাগ্য।

সংখ্যালঘু, ধর্মনিরপেক্ষতা ও ভারতীয় সংবিধান

Subhankar Chakaraborty বা! বেছে বেছে সেইটুকুই বললেন, যেটুকু দিয়ে আপনার বিভেদ নীতিকে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ করা যায়। আর বাকিটুকুকে বাদ দিয়ে দিলেন! ১) সংখ্যালঘু শব্দটার অস্তিত্ব স্বীকার করেন? যদি করেন, তাহলে বলুন তো, পৃথিবীতে যত ভাষার অভিধান আছে বা আপনার ডিকশনারিতে সংখ্যালঘু শব্দটা কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য বলে বলা আছে? সেখানে কি ধর্ম কথাটা বাদ দেয়া আছে? অর্থাৎ ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু হওয়ার বিষয়টি অভিধানিক শব্দ নয় কিংবা সংবিধানসম্মত নয়? ২) এক দেশ ভিন্ন আইন মানে কী? একজন হিন্দু খুনিকে আইনের যে ধারায় বিচার করা হয়, একজন মুসলিম খুনিকে কি সেই ধারায় বিচার করা যায় না? অর্থাৎ আলাদা ধারায় বিচার করা হয়? যদি না হয় তাহলে এক দেশ ভিন্ন আইন হলো কোথায়? বিনয়ের সঙ্গে আপনাকে একটা পরামর্শ দেই, যদি মানেন, বন্ধু হিসেবেও ধরতে পারেন, পরের মুখে ঝাল খেলে ঝালের স্বাদটা ঠিকঠাক বোঝা যায় না। ঝালটা একটু নিজের মুখে নিজে দিয়ে দেখুন বুঝতে পারবেন, ঝালের আসল স্বাদটা কী।😀 ৩) ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা। উদ্দেশ্যটা নিশ্চয়ই মাদ্রাসা শিক্ষা। বেশ বলেছেন। ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা দেশ থেকে উঠে যাওয়াই উচিত। আপনি তার...

ধার্মিক হওয়ার আগে মানুষ হয়ে ওঠা জরুরি

ধার্মিক হওয়ার আগে মানুষ হয়ে ওঠা জরুরি। আর মানুষ হয়ে উঠতে পারলে কারও আর ধার্মিক সাজার প্রয়োজন হয় না।

প্রসঙ্গ সাম্প্রদায়িকতা ও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

Soumitra Chakraborty  উদ্ধৃতিটা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়-এরই। এবং একটি বিশেষ ধর্মের অনুসারী সব মানুষকে তিনি সাম্প্রদায়িক বলেননি। আমার তো অন্তত তা মনে হয় নি। একটু বোঝার ভুল হয়ে যাচ্ছে হয়। আর একবার উদ্ধৃতিটা পড়ুন। নিশ্চয় বিষয়টা আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে। খেয়াল করে দেখুন, তিনি 'সব হিন্দু সাম্প্রদায়িক' এই অর্থে কথাটা বলেননি। বলেছেন হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতাটা বেশি - এই অর্থে। অর্থাৎ লক্ষ্য 'সব হিন্দু' নয়, লক্ষ্য 'সাম্প্রদায়িকতার পরিমাণ'। কথা দুটোর মধ্যে গুরুতর পার্থক্য আছে। অর্থাৎ বিষয়টি সংখ্যাবাচক (সব হিন্দু) নয়, পরিমাণ বাচক (কতটা সাম্প্রদায়িক। আশা করি আপনার জিজ্ঞাসার বিষয়টি পরিষ্কার করতে পেরেছি।

আপডেটেড হওয়ার অর্থ কী?

Monoj Bag ছি ছি। মাপ চাইছেন কেন? আপনি আপনার মতামত বলবেন, এটা তো আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার। শুধুমাত্র ভাষাটা সংযত হওয়া খুবই জরুরী। কারো কথায় কেউ যাতে আঘাত না পায়, অসম্মানিত বোধ না করেন সেদিকটা একটু খেয়াল রাখা দরকার। তবে আপনার আগের মন্তব্যে সংযত শব্দচয়নের ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে বৈকি। সাথি, আপনি কি জানেন, উদ্ধৃতির মধ্যে থাকা কথাটা কার? আমার মনে হয় কোনভাবে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আপডেটেড মানে কি সত্য গোপন করা, এবং অসংযত ভাষা প্রয়োগ করা? নিশ্চয় নয়। আশা করি আপনি এটা মানেন। আমার মনে হয় আপনি ভুল বুঝে শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে অসতর্ক হয়ে পড়েছেন। যাই হোক ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন এবং অবশ্যই শারদীয়ার শুভেচ্ছা গ্রহন করুন। ◾আবারও অনুরোধ করছি, আপডেটেড হাওয়া বলতে আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন অনুগ্রহ করে যদি একটু খুলে বলেন। চেষ্টা করব আপনার মতামতকে সম্মান জানানোর।

রোগ গোপন করে শরীরকে সুস্থ রাখা কি সম্ভব?

Prabhat Choudhuri জানলাম। কিন্তু সত্য কীভাবে উস্কানিমূলক হয় সেটা বোধগম্য হলো না। সত্যকে সামনে আনা এবং তার ভিতরে থাকা সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করাই তো বুদ্ধিমান ও সচেতন মানুষের কাজ। রোগ গোপন রেখে কি শরীরকে সুস্থ করা সম্ভব? আমার যদিও কথাটা উস্কানিমূলক মনে হয়নি। কিন্তু এটা মনে হয়েছিল যে, কেউ কেউ এটাকে উস্কানিমূলক ভাবতে পারেন। আর সেটা ভেবেই আমার কিছু কথা নিচে যোগ করেছি, যাতে ভুল বার্তা না যায়। আমার কথাগুলো মাথায় রাখলে উদ্ধৃতির কথাগুলো আর উস্কানিমূলক থাকে না বলেই আমার মনে হয়েছে। যাই হোক, আপনি শ্রদ্ধেয় মানুষ। আপনার মতামতকে অশ্রদ্ধা বা উপেক্ষা করতে পারিনা। আশা করি যারা দেখছেন পোস্টটা, তারা আপনার পরামর্শটা মাথায় রেখেই বিষয়টি নিয়ে ভাববেন এবং তা গ্রহণ করবেন।

মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্প্রীতি প্রকৃতির নিয়ম বিরুদ্ধ নয় বরং তার উল্টোটাই প্রকৃতির নিয়ম বিরুদ্ধ কাজ

Bhabani Sankar Chatterjee আপনি ধর্ম নিয়ে থাকুন। আমরা ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামাই না। শ্রদ্ধেয় সৌমিত্র বাবুও নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন, তিনিও ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামান না। ধর্ম মানুষের বিশ্বাসের বিষয়, ঘরের কোণে নিভৃতে বসে তাকে ঈশ্বরকে স্মরণ করাই ধার্মিক এর কাজ। এখানে দেখনদারির কিছু থাকেনা। কিন্তু ধর্মের নামে যারা মানুষে মানুষে বিভেদ ছড়ায় তাদের তিনিও যেমন মানুষ ভাবেন না, আমিও তেমনি তাদের মানুষ ভাবি না। সাপ আর  নেউল দুটো ভিন্ন প্রজাতির প্রাণী। তাদের মধ্যে সখ্যতা না হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ তো ভিন্ন প্ৰজাতির নয়, মানুষকে মানুষ ছাড়া আর অন্য কিছু কি বলা হয় পৃথিবীতে? হয় না। সাপের সঙ্গে নেউলের মিলনে সন্তানের জন্ম হওয়া সম্ভব নয়। কারণ তাদের মিলন প্রকৃতির আইন অনুযায়ী  নিষিদ্ধ। তাই কোনমতেই তাদের মধ্যে অপত্য ভ্রূণ জন্মানোও সম্ভব নয়। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো  বিধি নিষেধ প্রকৃতির নিয়মের মধ্যে নেই। পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের নর-নারীর মধ্যে  মিলন হলেই অপত্যের জন্ম হয়। কোন ধর্মের তা এখানে বিচার্য বলে বিবেচিত হয় না। তাহলে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্প্রীতিতে আপনার কোথা...

উপেক্ষা, অহিংস অস্ত্র

উপেক্ষা, একটি অহিংস অস্ত্র উপেক্ষা হল একটি অহিংস অস্ত্র, যা সশস্ত্রতার চেয়েও শক্তিশালী। শুধু প্রয়োগের উপযুক্ত কৌশল এবং সময় জানাটার উপর এই অস্ত্রের কার্যকারিতা নির্ভর করে।

আলী হোসেনের বহুল-পঠিত উক্তিগুলো পড়ুন