সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ইতিহাসের শিক্ষা

পিছনের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হয়, কিন্তু তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে নেই। এই চেষ্টা করাটা এক ধরনের বোকামি এবং কিছু মানুষের ভন্ডামি। যার নিশ্চিত পরিণতি হচ্ছে, অধঃপতন।

অপমানের কারণ যদি সঠিক না হয়, তাহলে অপমানটা অপমানকারীর, অপমানিত ব্যক্তির নয়।

নুর দা, আমাদের চেতনার এত দৈন্যতা দেখা দিলে এগোবে কী করে? যেটা হয়েছে সেটা তো ইচ্ছা করে আপনি করেননি? সুতরাং কষ্ট পাবেন না। আর ভুলটা এমন মহামারীও নয়, যে তা নিয়ে এত জলঘোলা করতে হবে? আপনি আপনার কাজ করে যান। অপমানের কারণ যদি সঠিক না হয়, তাহলে অপমানটা অপমানকারীর, আপনার ( অপমানিত ব্যক্তির) নয়। উৎস জানতে  এখানে ক্লিক করুন

করোনার ফলাফল

করোনার কারণেই, শাসকের পৌষ-মাস মাস আসে মাস যায় কাজিতে না কাজ পায় হাভাতের হাঁড়িতেই  ঘন কালো কালিতেই লেখে রাজা কপালে শাসিতের  সর্বনাশ। শাসকের শাসনে, পুঁজি ভাসে ভাষণে কাঙালের শ্বাস বেঁধে রাজা যায় নাকী কেঁদে কাঙালের নাম গায়  পুঁজি-সেবায় বসে যায় গরিবের ঘমে ভেজা পাঁজরের আসনে। স্বর্গের শিঙা বজায় পাঁজরের আসনে হাড়িতে যে মাছি ওরে   পুঁজিবাদীর পৌষ-মাস আম-আদমির নাভিশ্বাস। ভন ভন মাছিতেই করোনার কারণে রাজা কেমন হাসে ময়ূর খাওয়ায় ময়ূর নাচায় রোজার সর্বনাশে করোনার ফলাফল :  করোনার কারণে শাসকের পৌষ, মাস শাসিতের সর্বনাশ।

কবীর সুমনকে......

আপনার গানের কথা, আপনার কন্ঠ, গায়কী, সুর মন্ত্রের মত টানত আমাকে। 'তোমাকে চাই' দিয়ে শুরু হয়েছিল সেই টান। কোন চাওয়া দিয়ে তা শেষ হবে জানি না। কিন্তু গায়ক হিসেবে, শিল্পী হিসেবে এখনো 'তোমাকে চাই'এর সেই সময় আমাকে টেনে নিয়ে যায় জীবনের টকবক করে ফুটতে থাকা চাঁদের কাস্তে হাতে দিনবদলের স্বপ্নের মধ্যে । এই বয়সেও সেই  খিদে সক্রিয়। কবে মিটবে তাও জানিনা। কিন্তু স্বপ্ন যে আমাকে ছাড়ছে না, তার জন্য আপনার দায় কিন্তু কম নয়।

প্রসঙ্গ : প্রেমজি কেন পাকিস্থানে গেলেন না। বিপুল পালের বিশ্লেষণ ও কিছু প্রশ্ন

Bishal Paul বাহ! আপনি তো মনে হচ্ছে রিসার্চ করেছেন প্রেমজিকে নিয়ে। ভালো। আচ্ছা স্বাধীনতা তো সাত দশক পার করলো। অনেক মানুষই তো দেশের টাকা, দেশের ব্যাংকের টাকা লুট করে কেটে পড়লো। বিদেশে কালো টাকার পাহাড় বানিয়ে ফেলেছে। এগুলো তো হামেশাই করা যায়? যায়না? এদের নিয়ে কোনদিন রিচার্জ করেছেন?  তারা কেটে করলো কেন? যদি করেন একটু ব্যাখ্যা দিতেন সমৃদ্ধ হতাম আর কি! আচ্ছা, প্রেমজি তাঁর ব্যবসা গুলো আস্তে আস্তে বিক্রি করে দিয়ে পাকিস্তান বা অন্য কোনো মুসলিম  সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে কিংবা অন্য কোনো ধনী দেশে চলে যেতে পারতেন না? গিয়ে সেখানে ব্যবসা করতে পারতেন না? করলে ঠিক কতটা ক্ষতি হতো প্রেমজি? প্রেমজি এখন পারেন না, অন্য জায়গায় চলে যেতে? গেলে কিভাবে কতটা লস হবে? বছরে যত টাকা তিনি দান করেন, তারচেয়েও বেশি লস হয়ে যেত? একটু রিসার্চ করে দেখুন তো? কি কারণে তিনি তা করেন না? আচ্ছা দেশের অন্যান্য ধনী ব্যক্তিরা রাম মন্দির নির্মাণে যত কোটি টাকা ডোনেশন দিয়েছেন, তেমন করে প্রেমজি শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য এমন একটা পৃথিবী বিখ্যাত বড়ো মসজিদ তৈরি করে দিতে পারতেন না? আচ্ছা দিলেন না কেন? এটাও একটু রিসার্চ কর...

যাদুকরি ক্ষমতা সন্ধান : ডাক্তারদের অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেই সরকার হাসপাতাল গড়ে দেবে!!

Arobindo Lahori বাহ ! জেনে ভালো লাগছে যে, আপনি এবার বুঝতে পারছেন, ঠাকুরের পায় এক টাকা ছুঁড়ে দিয়ে বাহাদুরী করা যায় না। এটাও নিশ্চয়ই বুঝেছেন, যে মন্দির মসজিদে ভক্তি দেখিয়ে রোগমুক্তিও হয় না। আর মন্দির বানিয়েও কোন লাভ নেই। তার জন্য ডাক্তারের প্রয়োজন হয়, হাসপাতালের প্রয়োজন হয়। এটা যে বুঝেছেন, এবং মন্দিরের সঙ্গে রোগমুক্তির সম্পর্ক সম্পর্কে আপনার যে মোহভঙ্গ হয়েছে, জেনে ভালো লাগছে। আচ্ছা, আপনি কি করে বুঝলেন আমরা ঠাকুরের পায়ে পয়সা ছুঁড়ে বাহাদুরি দেখাই? তাও আবার বাংলাদেশে থেকে? ডাক্তাররা রোগীদের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলে দিচ্ছে সেটা আমাদের চোখে পড়ে না, সেটাই বা কী করে বুঝলেন? জাদু-টাদু জানেন নাকি? আমি আবার জাদু-টাদু তে বিশ্বাস করিনা। ফলে এই ক্ষমতাটা আমার নেই; মানে শেখা হয়নি আর কি! ডাক্তারদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন তো করতেই হবে। আমাদের এখানকার রাজ্য সরকার সে চেষ্টা করছে শুনছি, জনগণের প্রতিবাদের কারণে। আপনারাও আপনাদের ওখানে করুন। আমরা কি বারণ করেছি? আচ্ছা, ডাক্তারদের অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে হাসপাতাল এমনি এমনি তৈরি করবে সরকার? এ তো জাদুর কথা বলছেন আপনি। প্লিজ একটু ব্যা...

প্রসঙ্গ : মুসলিম তোষণ, গুজব ও বাস্তব

Tapas Das বলব, বলার পরেও এ কথার কোন মানে আছে? আপনার চোখে না পড়ার মানে তো এ হতে পারে না যে আমি বলিনি। হয় কী? আমার নির্দিষ্ট একটা অবস্থান এবং কৌশল আছে। আর সে কৌশলকে আমি গোপন রাখি না আপনার কাছে। আমি বারবার সে কথা আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু আপনি বোঝেন নি। কারণ আপনার মাথায় গেঁথে রয়েছে আমি তৃণমূলের পক্ষের লোক। রাজনীতি অতটা সোজা না, এটা আপনার মাথায় রাখা উচিত। জগতে যত কঠিন বিষয় আছে, রাজনীতি তার মধ্যে প্রথম সারিতে পড়া একটা অন্যতম বিষয়। এটা ঠিকঠাক বুঝতে গেলে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর ইতিহাসটা ভালো করে আত্মস্থ  করতে হয়। মনে হল আর বলে দিলাম, কানে এল আর শুনে নিলাম, এটা খুব কাঁচা রাজনীতির কাজ। এতে শত্রুর চেয়ে নিজের ক্ষতিটা বেশি হয়। এটা যেদিন বুঝবেন, সেদিন আমার কথার মানে বুঝতে পারবেন। অনুগ্রহ করে ভাববেন না যে আমি আপনাকে জ্ঞান দিচ্ছি। আপনার কথার প্রেক্ষিতে কথাগুলো এল, তাই বললাম। আপনার বোধ হয় জানা নেই, এই তৃণমূল আর বিজেপি একই মুদ্রার দুই পিঠ। এরা একে অপরের পিঠ বাঁচিয়ে চলে। আমার এই কথা শুনে হয়তো ভাবছেন যে, এই কথাটাই তো আমি বলি, আপনি মানতে চান না। কেন মানি না জানেন? মানি না এই কারনে যে, আপ...

মসজিদ হলেও কি এমন প্রশ্ন করা যেত?

Santanu Ray আমি খুবই স্পষ্ট বাদী। মুখ আর মুখোশের চারপাশে যে ছড়াছড়ি তার অভিজ্ঞতা আপনার মত আমারও আছে। আমি কাছ থেকেই দেখেছি সেই মুখ আর মুখোশের আড়ালে সাম্প্রদায়িকতার চোরাস্রোত। এবার আপনার আসল প্রশ্নে আসি। মুখোশ নেই তাই মুখোশ খোলার প্রশ্নই নেই। ওখানে মসজিদ ছিল। সুপ্রিম কোর্ট মেনে নিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট মেনে নিয়েছে মসজিদ ভাঙা অন্যায় হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আদালতে মসজিদ পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। সরকারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সুতরাং মসজিদের জায়গায় মসজিদ হলে আইনগত দিক থেকে কোন অনৈতিক কাজ হতো না। কিন্তু যে কারণেই হোক, যেহেতু সেখানে বিতর্ক রয়েছে। এবং সেই বিতর্ক জাতীয় সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে গেছে। তাই প্রত্যেকটি শিক্ষিত সচেতন এবং ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ এ কথাই বলেছেন যে, ওখানে মন্দির-মসজিদ কোনটাই না করে হসপিটাল, মিউজিয়াম বা ওই ধরনের কোন পাবলিক প্রপার্টি তৈরি করা হোক যা জনগণের সেবায় কাজে লাগবে। আপনি জানেন কিনা জানিনা, মানেন কিনা তাও জানিনা, এটাই বামপন্থার স্ট্যান্ড। যারা বামপন্থাকে শ্রদ্ধা করে, সম্মান করে, তারা এর বাইরে কথা বলতে পারেন না। তাই আমার মুখ থেকে, মুখোশ পরা প্রশ...

যুক্তিবিজ্ঞান ও অন্ধবিশ্বাস একসাথে চালানোর চেষ্টা আসলে ভন্ডামি।

Goutam Ray আপনি হাতেনাতে প্রমাণ পেয়েও যদি এ ধরনের কথা বলেন, তো আমার কিছু বলার থাকে না। ওনার অসুস্থতা নিয়ে আমি আগের পোস্টে আমার বক্তব্য পরিষ্কার করা সত্ত্বেও আপনি এই অভিযোগ কীভাবে করছেন? একজন অসুস্থ ব্যক্তির প্রতি যে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি মানুষের থাকা উচিত সেটা তো আমার আছেই। তাই বলে তার ধর্মান্ধতা ও রাজনৈতিক কাজে ধর্মের ব্যবহারকেও আমাকে সমর্থন করতে হবে? তিনি হিন্দু হোন বা মুসলমান হোন, বিজ্ঞান আর বিশ্বাস সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর জিনিস এটাকে তো স্বীকার করতেই হবে। আর না করলে মানুষ তাকে সমালোচনা করবেন। এটাই স্বাভাবিক। আপনাদের মত শিক্ষিত মানুষকে যদি এটা বারবার মনে করিয়ে দিয়ে হয়, সেটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। আমি সাধারন মানুষকে বিশ্বাসের কথা বলব, ধর্মের মাহাত্বের কথা বলবো, ঈশ্বরই সব কিছুর নিয়ন্ত্রণকারী বলে বোঝাবো, আর নিজে বিজ্ঞানের আশ্রয় নেব এটাকে ভন্ডামি বলে। সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কোন মুসলিম মৌলভী, কোন হিন্দু সাধু, বা কোন রাজনীতিবিদ সবার ক্ষেত্রেই এটা ভন্ডামি। বিজ্ঞান বিজ্ঞানই। বিশ্বাস বিশ্বাসই।  অধিকাংশ মানুষ, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন, এবং হাসপাতালে যান - একথা দিয়ে কি বোঝাতে চাইছেন, ধ...

ইতিহাস বিকৃতি কী এবং কেন?

আমাকে এবং আমার লেখাকে যাঁরা পছন্দ করেন, তাদের কেউ কেউ আমাকে ভালোবেসে সাবধান করেছেন, যাতে এ ধরনের কোন ভিডিও অথবা আমি যে ধরনের লেখালেখি করি,তা আমার বিপদ ডেকে আনতে পারে। আবার যাঁরা আমাকে পছন্দ করেন না, এই ধরণের লেখার কারণেই, তারাও মাঝে মাঝে হুমকি দেন। ভয় দেখান। তেমনই একজন গতকাল তো আমাকে দেশদ্রোহী, ধর্মদ্রোহী, ইত্যাদি বলে গালাগালি দিলেন এবং শেষ পর্যন্ত বিতর্কে ট্রেনে উঠে ব্লক করে দিলেন। কিন্তু তবুও আমার লজ্জা হলো না। ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপ দুনিয়ায় ভারতবর্ষের ইতিহাস যেভাবে ধর্ষিত হচ্ছে, তা নিজের চোখে দেখে শুনে কীভাবে চোখ বুজিয়ে থাকি বলুন তো? একজন ইতিহাসের  ছাত্র  এবং শিক্ষক হয়ে  একাজ করা  কতটা কঠিন বলুনতো? ভয় যে একেবারে পাই না তা নয়। যতই হোক বীরপুরুষ তো নই আমি। কোন খুঁটির জোরও সেভাবে নেই, যাকে আঁকড়ে ধরে  নিজের সলিল সমাধিকে আটকাতে পারি। কিন্তু ভয়টাকে সেভাবে বুকে গেঁথে নিতেও তো পারছিনা, কারণ, ওটা যে একটু কমই আছে। ভেবে দেখলাম, ভয় করেই বা কি লাভ? এখন তবুও তো বলার সুযোগ কিছুটা পাচ্ছি, সত্য ইতিহাসটা বলার জন্য। এমন দিন তো আসতেও পারে, যে এটুকুও  বলার সুযোগটা একসময়...

আলী হোসেনের বহুল-পঠিত উক্তিগুলো পড়ুন